অফারে কোরবানির পশু বিক্রিতে ব্যাপক সাড়া

ফন্ট সাইজ:

এখনো কোরবানির হাটে সেভাবে জমে ওঠেনি বেচাকেনা। তবে খামারে কোরবানির জন্য গরু ও ছাগল বেচাকেনা শুরু হয়েছে। হাটে দালালের চক্কর, ঝক্কি-ঝামেলা থেকে বাঁচতে ক্রেতারা খামারে বেশি ভিড় করছেন। খামারগুলো পারিবারিকভাবে পরিদর্শন, কোরবানি পর্যন্ত গরু রাখা, কোরবানি, গরু আহত হলে ক্ষতিপূরণ, মারা গেলে সমুদয় টাকা ফেরতসহ নানা সুবিধা দিয়ে কোরবানির পশু বিক্রি করছেন। ফলে ক্রেতাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এরকম সুবিধা দিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরের বাঁশবাড়িতে অবস্থিত ইউসুফ ডেইরি ফার্ম কোরবানির গরু-ছাগল বিক্রি করছে। এ খামারে গরু রয়েছে প্রায় ১৫০টির মতো।

খামারটিতে ৬০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা দামের গরু রয়েছে। ইতিমধ্যে ৭০টির মতো ষাঁড় কোরবানির জন্য বুকিং দিয়েছেন ক্রেতারা। খামারের মালিক জামিল আশরাফ মিন্টু জানান, ছেলের নামে খামারটি করেছি। ৩ থেকে ৬ মাস আগে বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে গরু ও ছাগল কিনে এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করি। খামারে গরুকে কোনো ক্ষতিকারক ইনজেকশন বা হরমোন দেয়া হয় না।

খামারটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কোরবানির গরু কেনার পর খামারে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। গরু কোরবানিসহ বাসাবাড়িতে মাংস পৌঁছানোর সুবিধা রয়েছে। এসব নানা কারণে খামারে গরু ক্রেতাদের চাহিদা বাড়ছে। সৈয়দপুর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. আব্দুল করিম জানান, ইউসুফ ডেইরি ফার্মটি মূলত কোরবানিকে টার্গেট করে গরু লালন-পালন করে থাকে। বাণিজ্যিকভাবে ফার্মটি গড়ে উঠেছে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা সৈয়দপুর প্রাণিসম্পদ বিভাগ দিয়ে থাকে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন