ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোরান মিলানোভিচ দেশটিতে ইসরাইলি নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগে অনুমোদন দেননি। গাজা যুদ্ধ ও ইসরাইল সরকারের বর্তমান অবস্থানের কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তার কার্যালয়। প্রস্তাবিত ইসরাইলি রাষ্ট্রদূত প্রেসিডেন্টের অনুমতি পাননি এবং ভবিষ্যতেও পাবেন না এমনটাই জানানো হয়েছে কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে। মিলানোভিচ দীর্ঘদিন ধরেই গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে আসছেন। তিনি বলেন, কূটনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি আগে প্রকাশ্যে বলা হয়নি।
তবে অনুমোদনের আগেই ইসরাইল নতুন রাষ্ট্রদূতের নাম ঘোষণা করায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিসান আমদুরের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত গ্যারি কোরেনের স্থলে দায়িত্ব নেয়ার কথা ছিল তার। টাইমস অব ইসরাইলে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এখন আমদুরকে অন্য একটি কূটনৈতিক পদে ক্রোয়েশিয়ায় পাঠানো হতে পারে। ওই পদে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন লাগে না। তারা মিলানোভিচকে ইহুদিবিদ্বেষী বলে আখ্যা দেয়। গাজা যুদ্ধের পর থেকে ক্রোয়েশিয়া ও ইসরাইলের সম্পর্কে কিছুটা টানাপড়েন দেখা গেছে।
ফেব্রুয়ারিতে মিলানোভিচ বলেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন নিয়ে উদ্বেগের কারণে ক্রোয়েশিয়ার সেনাবাহিনী ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে কাজ করবে না। মার্চ মাসে তিনি ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অবস্থানেরও সমালোচনা করেন। তার মতে, এতে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা বাড়তে পারে। ক্রোয়েশিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রেসিডেন্ট কোনো রাষ্ট্রদূতের অনুমোদন আটকে দিলেন।
