রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. হাসিবুর রশীদকে কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসা হবে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেরোবি’র শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পলাতক ছিলেন।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, ‘বেরোবি’র সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. হাসিবুর রশীদকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাজাপ্রাদানের পরে ওয়ারেন্ট ও ইস্যু করা হয়েছিল। সেই ওয়ারেন্ট অনুযায়ী তাকে ট্রাইব্যুনালে তোলা হলে প্রসিকিউটশন থেকে তার সাজা কার্যকরের আবেদন করা হবে। পরে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মো. হাসিবুর রশীদকে গতকাল রাত ৮ টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। শনিবার রাতে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা তাকে দেখতে পেয়ে আটক করে রাখে। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে।
২০২১ সালের জুন মাসে তাকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্যের দায়িত্বে ছিলেন। আবু সাঈদ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি তিনি। চলতি বছরের ৯ এপ্রিল এই মামলায় রায় হয়। রায়ে এই মামলার ৩০ জন আসামির মধ্যে ২৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২। এর মধ্যে হাসিবুর রশীদকে ১০বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল-২।

Kazi
২ মাস আগেখবরে তার হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্ট থাকার বর্ণনা থাকলে বুঝতে সুবিধা হত।
যাই হোক একজন শিক্ষক তার ছাত্রকে হত্যার হাত থেকে বাঁচানোর দায়িত্ব ছিল তার। ছাত্ররা আপন সন্তানের মত। ১৯৮০ এর আগে আমি ও একদিন শিক্ষক ছিলাম। তাদের নিজের সন্তানের মত ভালবাসতাম তাই আজ ও তারা শ্রদ্ধা করে।