একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্য ও নিরাপত্তা খাতে গুরুত্ব দেয়া স্বাভাবিক। তবে ৫৪ বছর পরও যদি শিক্ষা খাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না পায়, তাহলে তা হতাশাজনক। আগে ঠিক করতে হবে আমরা কী চাই। অগ্রাধিকার ঠিক না করলে বাজেট বণ্টনেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।
বুধবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, একটি জাতির অগ্রগতির জন্য সবার আগে শিক্ষার লক্ষ্য বা ‘প্রায়োরিটি’ সেট করতে হবে। সাধারণত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় কালচারাল মাইন্ডের লোকদের। কালচারাল লোকদের শুধু নাচ-গানই নাটক করা সিনেমার নায়ক হওয়াই কি কালচার? সো কালচার ডেফিনেশন, আমাদের আজকে বেসিক জায়গা শিক্ষা। উই ওয়ান্ট টু লীড; আমরা সবকিছুই আমাদের মত করে করব। সেজন্য আমরা বলছি, সবই তো স্টেজে আমরা এখন থেকে শুরুটা করি তারপর আমরা দেখব।
গত ১৫ বছরের বিতর্কিত কারিকুলাম ও পাঠ্যবই নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিকুলাম নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলার সময় হয়নি। কারিকুলাম নিয়ে আলোচনার সুযোগ পরে আসবে। এখন আমাদের প্রধান কাজ হলো শিক্ষার মৌলিক ভিত্তি এবং অগ্রাধিকারগুলো সঠিকভাবে সাজানো।
এসময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে উন্নত দেশগুলোর অনুসৃত বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। বিশেষ করে ইতিহাসের বই তৈরিতে একাধিক স্তরের ইতিহাসবিদদের মতামত নিয়ে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কাজ করা হবে। অতীতের ভুল নিয়ে না ভেবে ভবিষ্যতে সঠিকভাবে কাজ করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হয়নি। তবে শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হবে এবং জবাবদিহির মধ্যেই কাজ করা হবে। আমরা মাত্রই দায়িত্ব নিয়েছি। তবে এটুকু পরিষ্কার করে বলতে পারি, যে কোনো পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে বিশ্বে উন্নত দেশগুলো যে পদ্ধতি অনুসরণ করে, আমরা সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করব।

খোরশেদ আলম
৪ মাস আগেশিক্ষা খাত উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে যদি বিশেষ বরাদ্দ দরকার হয় তা করতে হবে। স্বাধীন হওয়ার পর যোগ্য শিক্ষামন্ত্রী আমরা পাইনি। তার মাঝে কিছুটা সফল শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। জাতির অনেক প্রত্যাশা ওনার কাছে। জাতির অক্সিজেন হলো শিক্ষা খাত।হতে হবে আন্তর্জাতিক মানের।