টাঙ্গাইলে নিয়মিত টিকার বদলে শিশুকে জলাতঙ্কের টিকা দেয়ায় কেন ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের একটি নিয়মিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রিটকারী আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব সাংবাদিকদের বলেন, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নিয়মিত টিকার পরিবর্তে জলাতঙ্কের দুই ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে এক শিশুকে। এতে ধীরে ধীরে শিশুটি নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এক মাস বয়সী ফাতিহাকে নিয়মিত টিকা দিতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান মা মৌ। সেখানে টিকা দেয়ার কথা স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল ইসলামের। কিন্তু তিনি উপস্থিত না থাকায় পিআরএলে থাকা স্বাস্থ্য পরিদর্শক কাইয়ুমকে ডেকে আনেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান আজাদ। এ সময় কাইয়ুম শিশুটিকে দুই ডোজ কুকুরের র্যাবিস ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন।
