ঢাকা-১৯ আসনে ৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ফন্ট সাইজ:

সাভার-আশুলিয়া নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৯ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে ছয়জন প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭ জন। ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৪৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। ২৭৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৯টি। পোস্টাল ভোট ৩ হাজার ৫৮৫টি। কেন্দ্র ও পোস্টাল ভোটসহ মোট ভোট হয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৫৪টি। এর মধ্যে ১ লাখ ৯২ হাজার ৫৮৩টি ভোট পেয়ে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের এনসিপি’র শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৭২ ভোট। পোস্টাল ভোটে তিনি দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের চেয়ে ৪৬৩ ভোট বেশি পেয়েছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমা দেয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই অনুযায়ী, এই আসনে প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা ৪১ হাজার ৪২৩ দশমিক ৬৩। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, এ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. বাহাদুর ইসলাম পেয়েছেন ২ হাজার ৪৪০ ভোট। ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের শেখ শওকত হোসেন পেয়েছেন ৬৯২ ভোট। ছাতা প্রতীকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী ৬৫২ ভোট পেয়েছেন। আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ইস্রাফিল হোসেন সাভারী পেয়েছেন ৬৪৯ ভোট। হারিকেন প্রতীকে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল পেয়েছেন ২১৭ ভোট। এ ছাড়া, হাতপাখা প্রতীকের ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ ফারুক খান ১০ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে জামানত ফেরত পাওয়ার জন্য সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পেতে হয়। এতে যারা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোটের নিচে পেয়েছেন, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন