ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামির পদত্যাগ

ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামির পদত্যাগ

ফন্ট সাইজ:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি) পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে গতকাল রোববার ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেন অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

মোঃ আতাউর রহমান

২ মাস আগে

গুপ্তরা ছিল বলেই চোরদের গলা বড় হয়েছে।

Shahid

২ মাস আগে

অশিক্ষিত, বর্বর, সন্ত্রাসীদের থেকে দূরে থাকা ভালো।

Sumon

২ মাস আগে

১. নিরপেক্ষতার অভাব (Lack of Neutrality):
একজন প্রক্টরের চেয়ারটি কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের। তিনি যখন একজনের অপরাধ দেখেও না দেখার ভান করেন আর অন্যজনকে তুচ্ছ কারণেও হেনস্তা করেন, তখন তিনি তার নৈতিক অবস্থান হারান। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।

২. দ্বিমুখী নীতি (Double Standard):
"একজনের জন্য হাসি আর অন্যজনের জন্য ধমক"—এই দ্বিমুখী নীতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। প্রক্টরের কাজ পরিস্থিতি শান্ত করা, কিন্তু তার এই পক্ষপাতমূলক আচরণ মূলত ক্যাম্পাসকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

৩. অভিভাবকত্বের ব্যর্থতা:
প্রক্টরকে বলা হয় ক্যাম্পাসের অভিভাবক। অভিভাবক যদি এক সন্তানের প্রতি স্নেহ আর অন্য সন্তানের প্রতি বিষোদগার করেন, তবে সেই পরিবারে যেমন অশান্তি নামে, ক্যাম্পাসেও তেমনই অস্থিরতা তৈরি হয়।

জনতা

২ মাস আগে

গুপ্তদের আশ্রয় দিবে কে এখন?

মন্তব্য করুন