জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী সোনালী দলের শিক্ষকদের মতবিনিময় সভা

সিকৃবিতে মব সৃষ্টির প্রতিবাদ

জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী সোনালী দলের শিক্ষকদের মতবিনিময় সভা

ফন্ট সাইজ:

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) মব সৃষ্টির প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সোনালী দলের শিক্ষকরা শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন- সোনালী দলের সভাপতি প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাত। সোনালী দলের সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. মাছুদুর রহমানের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন- সোনালী দলের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ্‌-দৌলা, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. রাশেদ আল মামুন, প্রচার সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদার প্রমুখ। এ সময় তারা বলেন- সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমপ্রতি একট কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে যে সকল ঘটনা ঘটিয়েছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। সুপরিকল্পিতভাবে ন্যক্কারজনক কায়দায় মব সৃষ্টির মাধ্যমে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা একটি শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদা, শালীনতা ও মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষণ্ন্ন করেছে এবং সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাদা দল নামে একটি পেশাজীবী সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনা করে এলেও সংগঠনের কয়েকজন সদস্যের অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার কারণে সাধারণ সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে বর্তমান কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও বারবার মৌখিক ও লিখিতভাবে সাধারণ সভা আহ্বানের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানানো হলেও সাদা দলের সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী মেহতাজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. শাহানা বেগম নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। গত ১৪ই ফেব্রুয়ারির সাধারণ সভায় পুনরায় কমিটি গঠনের বিষয়টি উত্থাপন করা হলেও এ বিষয়ে উদ্যোগ না নিয়ে ১৫ই ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টায় ভিসি’র সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত সৌজন্য সাক্ষাৎ হঠাৎ করে বাতিল করেন। পরবর্তীতে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে সাক্ষাতের বিষয়ে সাধারণ গ্রুপে মাত্র ছয় মিনিট আগে একটি বার্তা দেওয়া হয়, যা ছিল অস্বাভাবিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল অনুমতি ছাড়াই ভিসির কক্ষে প্রবেশ করে পরিকল্পিতভাবে মব সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায়। তারা শালীনতা ও সৌজন্যের সীমা লঙ্ঘন করে ভিসি’র কাছে পদত্যাগের দাবি তোলে, যা সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন