সহযোগী বইয়ের তালিকা দেবেন শিক্ষকরা, নোট-গাইডের দরকার হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

সহযোগী বইয়ের তালিকা দেবেন শিক্ষকরা, নোট-গাইডের দরকার হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, ব্যবসায়ীদের সুবিধা হলে বই বিক্রিকে শিল্প হিসাবে স্বীকৃতি দিতে বাধা নেই। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা এমন দিকে ধাবিত হচ্ছে যে, নোট-গাইড আর দরকার হবে না। শিক্ষকরা যে প্রেসক্রিপশন দেন, এই নোট গাইড পড়তে হবে- এটা করা যাবে না। শিক্ষকদের সহযোগী বইয়ের তালিকা দিয়ে দিতে হবে, শিক্ষার্থীরা সেটা কিনবে।

শুক্রবার বেলা ১২টায় বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেন, প্রিন্টিং প্রেস খুবই সন্মানজনক ব্যবসা। আমরা যে সাশ্রয়ে বই তৈরি করি, সেটা বিশ্বের অন্য দেশ পারে না। আমাদের দেশে মোটামুটি সস্তায় বই বিক্রি হয়। আমি চাই মুদ্রণশিল্পে একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে কাজ করুক। আপনাদের অনুরোধ করবো- বইয়ের ব্যবসা করেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।

শিক্ষামন্ত্রী বই প্রকাশকদের উদ্দেশ্য বলেন, বই ছাপানোর ক্ষেত্রে যেন মানসম্মত কাগজ ব্যবহার করা হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া যেভাবে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ও বাজেট দিয়েছেন তা আর কেউ করেনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবও তার মা-বাবার মতো শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

আব্দুল জব্বার

২ মাস আগে

সহযোগী বইগুলো কিভাবে পাওয়া যাবে তা পরিষ্কার হলোনা। সরকারের উচিৎ বিনামুল্যে সহযোগী বই সরবরাহ করা নইলে দীর্ঘ তালিকার সহযোগী বইগুলো ক্রয়/সংগ্রহের চেয়ে একটা নোট-গাইডের ব্যবস্থা করাই সাশ্রয়ী হবে।

মন্তব্য করুন