নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি অভিযুক্ত সেই মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ওসি তরিকুল ইসলাম।
অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষকের নাম আমান উল্লাহ সাগর। তিনি কাইটাইল ইউনিয়নের পাছহাট গ্রামের বাসিন্দা।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
তবে ওই শিক্ষক ফেসবুক লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বক্তব্য দিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
শিশুটির মা বলেন, ‘গত বছরের ২ নভেম্বর বিকালে মাদ্রাসা ছুটির পর মাদ্রাসার হুজুর আমার মেয়েকে ডাইক্কা মাদ্রাসাসংলগ্ন মসজিদ ঝাড়ু দিতে বলেন। এ সময় মাদ্রাসার অন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাড়ি চলে যায়। ঝাড়ু শেষে হুজুরের কক্ষে ডেকে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে আমি তারে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় হুজুরে এই কাজ করছে। এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হই সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমি থানায় মামলা করেছি।’

মুহাম্মদ ইবরাহীম
২ মাস আগেভিকটিম কেও সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে, চিকিৎসা ও আইনি । হেফাজতে রাখা হোক , যেন কারো দ্বারা প্রভাবিত হতে না পারে।