সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান না করা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি বক্তব্য দিয়ে বিদ্রোহ উসকে দেয়ায় অভিযোগে ৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এরা হলেন- মো. আসাদুজ্জামান, মো. মিরাজ, মো. মেহেদী হাসান ও মোসা. রক্ষুন নিশা। বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা এম.এল.এস.এস পদে চাকরিরত।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন জানায়, গত ২৭শে এপ্রিল এই ৪ কর্মচারীকে হাইকোর্টের চার বিচারপতির বাসভবনে বদলি করা হয়। দুদিনের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে তাদের যোগদান করতে বলা হয়। কিন্তু এই ৪ জন বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি ৩রা মে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিচারপতিদের বাসায় কাজ করবে না বলে জানায়। ওইদিনই কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ইলেট্রনিক মিডিয়ায় অফিস শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন। পরদিন সুপ্রিম কোর্টের এ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে বিচারপতিদের বাসায় বদলি সংক্রান্ত আদেশকে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন।
তারা নানাবিধ কর্মকান্ডের মাধ্যমে অন্যান্য কর্মচারীদেরকে দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন। পাশাপাশি অন্যান্য কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্রোহের মনোভাব তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যান। এদের এ ধরনের কর্মকান্ড অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি হওয়ায় তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
এদিকে, ফাইল চুরির মামলায় আরিব শেখ নামে আরেক পরিচ্ছন্নতা কর্মীকেও সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রশাসন। প্রশাসনিক ভবন-২ এ নিচতলায় কোর্ট কিপিং শাখার কম্পিউটর রুম থেকে ইউপিএস চুরির চেষ্টা এবং সুপ্রিম কোর্টের লোগোযুক্ত সাদা রংঢের ৭টি বান্ডিল মোট ১৪০০টি ফাইল কাভার চুরি করে আনন্দবাজারের একটি দোকানে বিক্রির অপরাধে তাকে বরখাস্ত করে প্রশাসন। বর্তমানে ওই চুরির ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আরিব শেখ।
