দুই যুগ আগের মামলায় সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

দুই যুগ আগের মামলায় সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ফন্ট সাইজ:

অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুই যুগ আগের মামলায় আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। গত ১৯ এপ্রিল পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ এ পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ছিল মঙ্গলবার। তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা জানিয়ে আদালতের কাছে আবেদন করেন তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার। তিনি আবেদনে বলেন, তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শারীরিকভাবে অক্ষম। এজন্য তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন করার প্রার্থনা করেন এবং পাশাপাশি অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতেও আবেদন করেন আইনজীবী। তবে আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করে আগামী বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং মোশাররফ হোসেন। তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে হাজিরা দেন।

২০০২ সালে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন। ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।

BAD MOUTH

২ মাস আগে

১৯৭০ এর কার্যকলাপের জন্য গ্রেফতার, বিচার ও ফাঁসি দিতে হবে।

Andalib

২ মাস আগে

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মামলার মাধ্যমে হয়রানি করার এই কালচার বন্ধ হোক। একজন অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা নিন্দনীয় কাজ।

মন্তব্য করুন