পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে হাইপ্রোফাল ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোট গণনায় নাটকীয় উত্তেজনা সকাল থেকেই। প্রথমে শুভেন্দুর জয়ের ইঙ্গিত জানা গেলেও পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে যেতে থাকেন। একসময় ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে মমতা এগিয়ে যান। এর পর আবার শুভেন্দুর ভোট বাড়তে থাকায় মমতার ভোটের ব্যবধান দ্রুত কমতে থাকে।
তবে ১৬ রাউন্ড গণনা শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিছিয়ে পড়েছেন। ব্যবধান কমিয়ে এগিয়ে গিযেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু এই মুহূর্তে এগিয়ে রয়েছেন ২৯৫৬ ভোটে। আরও কয়েক রাউন্ডের গণনা অবশ্য বাকি রয়েছে। তবে ফলের অদল বদল হওয়া অসম্ভব নয়। অবশ্য শুভেন্দু আগেই বলেছেন, ভবানীপুরে শেষ পর্যন্ত জনতার ভোটে তারই জয় হবে।
১৬ রাউন্ডর গণনার সময় ভবানীপুর কেন্দ্রের গণনা থমকে ছিল। মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্রের গণনা যেখানে চলছে সেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনা কেন্দ্রে যান। এর পরে সেখানে যান শুভেন্দু অধিকারী। ভোটগণনার টানটান উত্তেজনার মাঝেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নিয়মানুযায়ী গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন জমা নেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তাদের দুজনের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ওই একই গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সেখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী বা তাঁর নির্ধারিত এজেন্ট ছাড়া অন্য কারও গণনাকেন্দ্রে থাকার অনুমতি নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী না হওয়ায় তাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট সূর্যনীল দাসের অভিযোগ, ১৬ রাউন্ড গণনার পর ভবানীপুরে ভোট গোনা থমকে গিয়েছে। গণনাকেন্দ্রে মারপিট শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সূর্যনীলের পাঞ্জাবি ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্যদিকে তৃণমূল বংগ্রেসের অভিযোগ, তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, ভবানীপুরে গণনায় কারচুপির চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। তাই গণনা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। মমতার এজেন্টকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ।
তবে মমতা বন্দোপাধ্যায় সাড়ে সাতটার পর গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন।

Mondip
২ মাস আগেক্ষমতা চিরকাল কারোরই থাকবে না। কেউ ভোটে হেরে, কেউ পলায়ন করে, কেউ বা বুলেটের গুলিতে। তবে সত্যিকারের দেশ প্রেমিক হলে তার কথা আলাদা !!