জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের সব পদেই কাজ করার মানসিকতা থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা সকলেই যদি একটি কথা মনে রাখি, সেটি হচ্ছে—একটি সরকার যেরকম চিরস্থায়ী নয়, জনপ্রশাসনের কোনো পদ কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়।’
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনস্থলে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমার বিশেষ আহ্বান থাকবে জনপ্রশাসনের প্রতিটি পদকে গুরুত্বপূর্ণ এবং অনিবার্য ভাবুন। দেশের যেকোনো স্থানেই যেকোনো সময় জনপ্রশাসনের যেকোনো পদে দায়িত্ব পালনের জন্য নিজেদেরকে দয়া করে মানসিকভাবে প্রস্তুত করে রাখুন।’
‘জনপ্রশাসনের যেকোনো স্তরের কর্মকর্তারা যদি রাষ্ট্রের প্রয়োজনে যেকোনো সময় যেকোনো পদে দেশের স্বার্থে যেকোনো স্থানে কাজ করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি থাকেন, আমার বিশ্বাস জনপ্রশাসনে পেশাদারিত্ব গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এটা একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে-’ উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেন, ‘আজকের এই জেলা প্রশাসক সম্মেলন অবশ্যই নতুন কিছু নয়, এটি জেলা প্রশাসকদের একটি নিয়মিত বাৎসরিক সম্মেলন। আজ থেকে এটি শুরু হবে এবং ৬ মে পর্যন্ত চলবে। জনস্বার্থে প্রশাসনের কী ভূমিকা পালন করা উচিত সেটি অবশ্যই আপনারা কম বেশি অবগত আছেন। এটি নিয়েও বোধহয় নতুন করে বিস্তারিত কিছু বলার নেই। তবে এটি যেহেতু বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে আপনাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক সেহেতু সরকারের গৃহীত নীতিমালা এবং জনপ্রশাসন সম্পর্কে সরকারের কিছু পদক্ষেপ বা পর্যবেক্ষণ এবং নির্দেশনা নিয়ে মূলত আমি আপনাদের সামনে কয়েকটি কথা তুলে ধরতে চাই বা বলতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘একটি দেশের জনপ্রশাসনে পদোন্নতি কিংবা পোস্টিং এর জন্য যতগুলো প্রশাসনিক পদ রয়েছে প্রতিটি পদই রাষ্ট্র এবং সরকারের জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং শুধুমাত্র পদোন্নতি কিংবা নিজেদের পছন্দের জায়গায় পোস্টিং এর জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাময়িকভাবে হয়তো লাভবান হতে পারেন। তবে সেটি আমি ব্যক্তিগতভাবে যেটা মনে করি- সেটি সার্বিকভাবে জনপ্রশাসনের দক্ষতা এবং নিরপেক্ষতার ওপরে একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের সব পদেই কাজ করার মানসিকতা থাকা জরুরি।

আনিস উল হক
২ মাস আগেডেপুটি কমিশনারকে বলা হচ্ছে জেলা প্রশাসক। তাদের এই সম্মেলনে কতই না দাবী আব্দার উঠে আসে যেন তারা জাতির " ঘরজামাই"!