যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তুর উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো মানুষকে অসুস্থ হওয়া থেকে দূরে রাখা। আমরা যদি দেশ ও জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চায়; তাহলে সুস্থ একটি জাতি প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই হসপিটালটি যখন হবে, স্বাভাবিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০০ রোগীর ব্যান্ডেজ, ওষুধ বা অপারেশন থিয়েটারে যেসব বিষয় থাকে সেগুলো প্রোভাইড করা হবে। হয়তো দেখা যাবে রোগীর সংখ্যা আস্তে আস্তে বাড়ছে; কিন্তু সরকারেরও একটা ক্যাপাসিটি আছে। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে প্রিভেনশনটার ওপর জোর দেবো। আমরা মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করবো যাতে বড় বড় অসুখ-বিসুখ থেকে কিভাবে দূরে রাখা সম্ভব।
তাছাড়া আমরা চেষ্টা করছি প্রাইভেট পার্টনারশিপ। সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত রোগী থাকলে চিকিৎসার সুবিধা থেকে অনেককে বঞ্চিত হতে হয় বা হাসপাতালের ক্যাপাসিটি অনুযায়ী সম্ভব হয় না। তাই যেটা করতে চাচ্ছি প্রথম পর্যায়ে ভর্তি হওয়া এবং গুরুতর বিবেচনায় বেসরকারি হাসপাতালে রোগী প্রেরত করা। সরকারের পক্ষ থেকেই আমরা সেই খরচ বহন করবো। আজ সোমবার দুপুর ২টায় যশোর মেডিকেল কলেজে ভিত্তিপ্রস্তরের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে শার্শা উপজেলার উলশী খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এই ভিত্তি প্রস্থর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার যশোরে ৫০০ শয্যা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পূরণ করলো।
উল্লেখ্য ২০০৬ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার যশোরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদন দেয়। ওই সময় শহরের দক্ষিণে হরিণার বিলে ৭৫ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে নিজস্ব ক্যাম্পাসে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হলেও হাসপাতাল নির্মাণের কাজ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসাপাতালে গিয়ে প্রাকটিক্যাল করতে হতো। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম, স্বাহ্য অধিদপ্তরের ডিজি সেবা অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাহ্য অধিদপ্তরের ডিজি ( শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো. রেজাউল করিম প্রমুখ।

ড. মো. মোস্তফা খান
২ মাস আগেহাসপাতালটি অত্যাধুনিক হওয়া উচিত যাতে জটিল রোগের চিকিৎসা করা যায় এবং রোগীদের যাতে ঢাকামুখী না হতে হয়।