সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের কবলে পড়ে হত্যার শিকার কাস্টমস কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৫

র‍্যাবের ব্রিফিং

সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের কবলে পড়ে হত্যার শিকার কাস্টমস কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৫

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রাম থেকে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হ্রদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল এবং সুজন। কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মধ্যরাতে বাস থেকে নামার পর ওৎ পেতে থাকা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের কবলে পড়ে নির্মম হত্যার শিকার হন বুলেট। ছিনতাইকারীদের আঘাত এবং চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বুলেট বৈরাগীর। সোমবার রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ। মরদেহে আঘাতের একাধিক চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই র‌্যাবের গোয়েন্দা টিম মাঠে নামে, এরপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা, চাপাতি, সুইস গিয়ার, হাতুরিসহ হাতুড়িসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা মূলত দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্গেট করে সিএনজিতে তুলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই ও ডাকাতি করতো। ঘটনার রাতে বাস থেকে কুমিল্লার জাগরঝুলি এলাকায় নামেন বুলেট। এই সময়ে ওৎ পেতে থাকা অবস্থায় ভুক্তভোগীকে টার্গেট করা হয়। পরে সিএনজিতে তুলে তাকে মারধর ও ছিনতাইয়ের পর চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দেয় তারা। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শহিদুল

২ মাস আগে

একাধিক মামলার আসামিদের জামিন না দেওয়া উচিত।

Jewel hossain

২ মাস আগে

No need justice direct shoot

Alamgir

২ মাস আগে

একাধিক মামলা থাকার পরেও এসব ছিনতাইকারীরা জেলের বাইরে থাকতে পারে যেই আইনে, সেই আইনটার বা সিস্টেমটার বদলি জরুরি

আবুল কালাম আজাদ, আয়কর আইনজীবি

২ মাস আগে

5 আগষ্টের পর থেকে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রনে আসে নাই, ঢাকা চট্রগ্রাম হাইওয়ের মেঘনা থেকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত অনেক প্রবাসীর গাড়ী ছিনতাই, খুনসহ নানা অপরাধে জড়িত। কোন কার্যকরী অভিযান পরিচালিত হচ্ছেনা। সংসদ সদস্যের গাড়ী ভাংচুর করে গ্রেফতার হয়ে ২৪ ঘন্টার জামিনে বের হয়ে যাওয়া অপরাধ না কমে আরো বৃদ্ধি পাবে।

মন্তব্য করুন