ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে শিক্ষকের নাম

ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে শিক্ষকের নাম

ফন্ট সাইজ:

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার বাসা থেকে মুনিরা মাহজাবিন মিমো (২৬) নামে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

রোববার দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মিমো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজের বাসায় আত্মহত্যা করেছেন। একটি চিরকুটে তিনি একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে গেছেন।’

তামান্না হক সিগমা আরও বলেন, ‘আমরা সকালে বিষয়টি জানতে পারি, এরপর বিভাগের শিক্ষকরা তার বাসায় যাই। পরে তার মোবাইল ফোনের কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও নেয়া হয়েছে।’

মিমো মাদারীপুরের শিবচরের ডাইয়ারচর গ্রামের মো. গোলাম মোস্তফার মেয়ে। বাড্ডার ওই বাসার নবম তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

বাড্ডা থানার এসআই মোছা. ফাতেমা সিদ্দিকা সোমা বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নবম তলার একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করি। সবার অজান্তে নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরে পরিবারের লোকজন থানায় ফোন দিলে তার মরদেহ উদ্ধার করি।’

নিহত মনিরার মা তাহামিনা আক্তার বলেন, ‘‘আমার মেয়ের মরদেহের পাশ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়। সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো, স্যারের দেয়া গিফটগুলো ফেরত দেয়া’।’’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন