বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অতীতে খ্যাতনামা সব চলচ্চিত্রের মুখদের দেখা গেছে। তবে সময়ের পরিবর্তনে অনেকেই আস্থা হারিয়েছেন সমিতি থেকে। সিনিয়রদের কেউ মৃত্যুবরণ করেছেন আবার কেউ বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। আবার অনেকে থেকেও আগ্রহী না সমিতি নিয়ে। মূলত শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে যে আলোচনা, মামলা-হামলা, পাল্টা মামলা হয়েছে সেগুলোর কারণে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন একসময়ের ঐতিহ্যবাহী এ সমিতি থেকে। সবশেষ কয়েক বছর ধরে জায়েদ খান ও নিপুণ আক্তারের মধ্যে সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে ছিল তুমুল আলোচনা। ভোট কারচুপির অভিযোগ, মামলা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ নিয়েই ছিলেন তারা।
অন্যদিকে, জায়েদ খানের পর নিপুণ আক্তার ও ডিপজলের মধ্যেও নির্বাচন পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি। যে পদ নিয়ে এত আলোচনা, সেই পদ নিয়ে এবার মুখোমুখি হচ্ছেন কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী আনোয়ারাকন্যা ও অভিনেত্রী রোমানা ইসলাম মুক্তি এবং চলতি প্রজন্মের নায়ক ও সাবেক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী। এদিকে, এরইমধ্যে শেষ হয়েছে শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ। তার আগেই এই দুইজন নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী জুন বা জুলাইয়ে শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। মুক্তি বলেন, শিল্পীদের পাশে সব সময়ই আছি।
আরও বেশি করে যেন থাকতে পারি সেজন্যই নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার প্রথম লক্ষ্য হলো- সমিতির সদস্যদের মধ্যে যারা ভাড়া বাসায় থাকেন, তাদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা। অন্যদিকে জয় চৌধুরী বলেন, গত দুই বছরে তেমন কোনো কাজই হয়নি সমিতিতে। পিকনিক আর ইফতার পার্টিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। যে কাজগুলো করলে শিল্পীদের অধিকার আদায় হবে, সে কাজগুলোই আগে করবো; যদি বিজয়ী হতে পারি! এবারের প্যানেল সিনিয়র ও চলতি প্রজন্মের শিল্পীদের নিয়ে করেছি। আশা করছি আমরা ভালো করতে পারবো। এদিকে জানা গেছে, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরীর সঙ্গে সভাপতি পদে লড়বেন চলচ্চিত্রের সিনিয়র অভিনেতা শিবা শানু।
