পূর্ণ মন্ত্রী শুধু নয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন কক্সবাজার-১ আসনের চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। ইতিপূর্বে তার হাত ধরে এ অঞ্চলে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এর আগে, তিনি ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর কক্সবাজার থেকে তিনিই প্রথম মন্ত্রী হন। স্বাধীনতার আগে ফরিদ আহমদ ছিলেন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী। কক্সবাজার থেকে স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী হন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের চতুর্থ মেয়াদের দিকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় হুইপ হিসেবে নিয়োগ পান সাইমুম সরওয়ার কমল। তবে হুইপের কর্মপরিধি ছিল সংসদকেন্দ্রিক। এবার কক্সবাজার জেলার কোনো সন্তান প্রথম পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত হবেন। বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আস্থাভাজন এবং দলের জন্য যার ছিল কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ। পরিশ্রম ও ত্যাগের ফল হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদ কেবল পূর্ণ মন্ত্রী নয়, অতি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হবেন বলে শোনা যাচ্ছে বিএনপি’র বিভিন্ন সূত্র থেকে।
উল্লেখ্য, চকরিয়া-পেকুয়া আসন হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। আসনের ১৭৭টি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৯৫ হাজার ৮৪০ ভোটে।
স্বাধীনতার পর প্রথম পূর্ণ মন্ত্রী পেতে যাচ্ছেন কক্সবাজারবাসী
পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
১৬ ফেব্রুয়ারি (সোমবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
