বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম এ বছরের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টাইমের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রোফাইলে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগেও লন্ডনের দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তারেক রহমান। তবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের প্রেক্ষাপটে আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরে এ বছরের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় অর্জনের মাধ্যমে জাতীয় নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই বিজয় তারেক রহমানকে তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পথ অনুসরণের সুযোগ করে দিয়েছে। দেশে ফেরার অল্প সময়ের মধ্যেই খালেদা জিয়ার মৃত্যু তাকে ব্যক্তিগতভাবে শোকাহত করলেও, সেই শোককে জাতীয় ঐক্যের শক্তিতে রূপান্তর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
টাইম উল্লেখ করেছে, বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বেকারত্বের মতো বড় অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। পাশাপাশি প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কও সামপ্রতিক সময়ে টানাপড়েনে রয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন সরকার গঠনের পর প্রাথমিক ‘হানিমুন পিরিয়ড’ দীর্ঘস্থায়ী নাও হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সাময়িকীটি।
এ বছরের তালিকায় বিশ্ব রাজনীতি ও বিভিন্ন অঙ্গনের আরও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি স্থান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কারনি। এ ছাড়া নারী নেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।
গত বছর এই তালিকায় ছিলেন বিদায়ী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী বাংলাদেশি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাও এই তালিকায় ছিলেন।

Nam Dia Kam Ki
৩ মাস আগেআমি বিশ্বাস করি না এটা সত্য হতে পারে। তারেক কি করছি?