রিসেট

দেবেশ চন্দ্র হত্যার দায় স্বীকার আইএসের

প্রকাশিত: ২৭ মে (শুক্রবার), ২০১৬ Archive 2016
Warning: Undefined property: stdClass::$news_source in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/old-archive.php on line 257

Deprecated: htmlspecialchars(): Passing null to parameter #1 ($string) of type string is deprecated in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/old-archive.php on line 257
Source:
গাইবান্ধায় ব্যবসায়ী দেবেশ চন্দ্র প্রামাণিককে হত্যার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর ওপর নজরদারি করা বেসরকারি মার্কিন সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ এ কথা বলেছে। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘আমাক রিপোর্ট করেছে যে, বাংলাদেশের গাইবান্ধায় একজন হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে আইএস যোদ্ধারা’।
বুধবার সকালে গাইবান্ধার মহিমাগঞ্জ বাজারে নিজের জুতার দোকানের ভেতরে দেবেশ চন্দ্রকে (৬৮) কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন দেবেশ চন্দ্রের স্ত্রী আনন্দ রানী প্রামাণিক। এদিকে, দেবেশ চন্দ্র হত্যায় এখনও পর্যন্ত কোন ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ নিপেন চন্দ্র (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। নিহত দেবেশ ছিলেন পঙ্গু। একটি পা দিয়ে কোনোমতো খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলেন। বাড়ি আর দোকান। সাবেক ইউপি মেম্বার রিশিকেষ ঘোষ বলেন, একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি দেবেশ চন্দ্র। এলাকায় জনপ্রিয় মানুষ। কারো সঙ্গে ঝগড়া বিবাদ ছিল না। কিন্তু তাকে কারা খুন করলো। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দেবেশ চন্দ্রকে খুনের আগে দোকানের সামনে দুটি মোটরসাইকেল দেখা যায়। দোকানের সাটার অর্ধেক ফেলানো ছিল। পুলিশের ধারণা, পরিকল্পনা করেই দোকানের ভেতরে ঢুকে খুনিরা তাকে মাটিতে ফেলে কুপিয়ে হত্যা করে চলে যায়। তাদের ধারণা, এই কিলিং মিশনে অন্তত ৪ জন অংশ নিয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রধান বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মিল পাওয়া যাচ্ছে তরুণ দত্ত হত্যার ঘটনা। সে কারণেই সবার মনে প্রশ্ন, এ খুনের পেছনে অন্য কোনো হাত আছে কিনা। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীপতিপুর বাজারে জুতার দোকানি দেবেশ চন্দ্র প্রামাণিক বুধবার সকাল ৬টার দিকে দোকানের ভেতরে খুন হয়। পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই এলাকার নেপেন চন্দ্র নামের এক মাদকাসক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে নিহতের পরিবার তাদের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের কাছে দাবি জানান। গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আব্দুস সামাদ এবং পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম জানান খুনের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। খুনের সঙ্গে কোনো জঙ্গি সংগঠনের জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।