২০১৬ সালে ৪ঠা জুন রামগঞ্জ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। এরপর পরিষদের সকল সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ড ভিত্তিক সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক জন্মনিবন্ধন, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট, ওয়ারিশ সনদসহ সকল সেবা দ্রুততার সহিত দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ইউনিয়ন বাসিন্দা রামগঞ্জ রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট বাচ্ছু আঠিয়া, ব্যবসায়ী ফারুক হোসেন পাটোয়ারী, সমেষপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সফিউল আজম, ফারুক হোসেনসহ বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যানের কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জানান, যে কোন সমস্যায় লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে গেলে চেয়ারম্যান আন্তরিকতার সঙ্গে দ্রুত সমাধান করে দেন। এলাকার রাস্তাঘাট, পুল, কালভার্ট, স্কুল, মাদ্রাসার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। পরিষদের সদস্য আঃ আজিজ, জাহাঙ্গীর আলম ভাবলু, সালাউদ্দিন সুমন, দুলাল পাটোয়ারী, জামাল হোসেন জানান, চেয়ারম্যান শুরু থেকে পরিষদের যে কোন উন্নয়ন কাজ, বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ সরকারি যে কোন কর্মসূচিতে ও গ্রাম আদালতে অভিযোগ সমাধানে সকল সদস্যদের সাথে সমন্বয় করে সমাধান করে থাকেন। জাহিদ হোসেন ভূইয়া বলেন, আমার বাবাও অত্র ইউনিয়নের একজন চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণের সেবা করে গেছেন। আমিও বাবার মতো জনগণের সেবা করে যেতে চাই। কতটুকু সফল হতে পেরেছি সেটা জনগণ বিচার করবে। জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান ও যেসব সম্মাননা পেয়েছি এগুলো ইউনিয়নবাসীর অর্জন। তারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে এবং সহযোগিতা না করলে আমার দ্বারা এ সম্মাননা অর্জন করা সম্ভব হতো না।
