সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন থেকে ৩১ জন করে কাউন্সিলর এবং ২শ’ জন করে ডেলিগেট আমন্ত্রণ করা হয়েছে। দীর্ঘ কাঙ্ক্ষিত এ সম্মেলনকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হক একাধিকবার মিটিং করে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয় বিভিন্ন উপ-কমিটিগুলো ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করছেন কিনা তাও তিনি সরাসরি নজরদারিতে রেখেছেন।
গতকাল দুপুরে সম্মেলনস্থল ঘুরে দেখা গেছে, প্রচার কমিটি সম্মেলনকে আকর্ষণীয় করতে ব্যানার ফেস্টুন বিলবোর্ড আর নেতাবৃন্দের ছবি দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দু’পাশ এবং সম্মেলনস্থলে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। আপ্যায়ন কমিটি সম্মেলনে আগত কাউন্সিলর ডেলিগেটর এবং আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় ৬ হাজার লোকের দুপুরের খানাপিনার ব্যবস্থা করেছেন।
এ সম্মেলনের সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, নতুন কমিটিতে কে আসছেন এ নিয়ে নেতাকর্মীদের প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা গেলেও কোনো পদেই এ পর্যন্ত কেউ নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি। দলের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা জানান, কোন্দলহীন চৌদ্দগ্রামের আওয়ামী রাজনীতিতে একমাত্র নীতি নির্ধারক হিসেবে সকলের শ্রদ্ধার আসনে রয়েছেন সংসদ সদস্য মুজিবুল হক। তাই মুজিবুল হকের বাহিরে কারো কোনো চিন্তা নেই। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মুজিবুল হকও মুখ খোলেননি। অবশেষে শেষ সময়ে কি হয় তা দেখার অপেক্ষায় সকলে।
