এলাকাবাসী জানায়, গত ১৯শে সেপ্টেম্বর উপজেলার ছোট বিশাকোল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমন হোসেনকে বেয়াদবির কারণে চড় মারেন প্রধান শিক্ষক আবদুল মজিদ। এতে ওই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় ইমনের পরিবার প্রধান শিক্ষক আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে স্থানীয় প্রধান বর্গ ও উপজেলার অন্যান্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এই বিষয় নিয়ে ওই গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদক নবীর উদ্দীন, ইউপি সদস্য ও দুলাল, অষ্টমণিষা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলামের সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আবদুল মজিদের ঝামেলা চলতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ছোট বিশাকোল বাজারে এক চায়ের দোকানে নবীর, দুলাল, কুদ্দুস ও রফিকুল লোকজন নিয়ে প্রধান শিক্ষক আবদুল মজিদ ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আবদুস সামাদকে উপর্যুপরি কিল, চড়, ঘুসিতে আহত করেন। এরপরেও একঘণ্টা ওই দুই শিক্ষককে ঐ দোকানের ভেতরে আটকে রাখে তারা। পরে গ্রামবাসী তাদের মুক্ত করে। ভাঙ্গুড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষকরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
