সমগ্র ব্রাজিলজুড়ে কৃষিক্ষেত্র পরিষ্কারের জন্য আগুনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৬০ দিনের ওই নিষেধাজ্ঞায় স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো। আমাজনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতেই এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। দেশটির কর্মকর্তারা সমপ্রতি এক অনুসন্ধানে আমাজনের আগুনের জন্য এর আশেপাশের কৃষিক্ষেত্রে আগুন লাগানোকে দায়ী করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে নতুন এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।
তবে নতুন এ নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কেমন হবে তা এখনো সপষ্ট নয়। কারণ, আমাজনে বৃক্ষনিধন ও বন উজাড়ের আগেও আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতো। তাই আইনের বাস্তবায়ন না ঘটিয়ে নতুন আইন করে আমাজনকে বাঁচানো যাবে না বলেই মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।
গত ৩ সপ্তাহ ধরে জ্বলছে লাতিন আমেরিকার রেইনফরেস্ট আমাজন। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো। আগুন নেভাতে তার উদ্যোগ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে খোদ ব্রাজিলেই। দেশটির পরিবেশবাদী সংস্থাগুলো বলছে, এখনকার থেকেও ভয়াবহ খারাপ অবস্থা ঘনিয়ে আসছে। আগামী সপ্তাহে মহাদেশটির সবগুলো দেশ আমাজনের আগুন থামাতে আলোচনায় বসছে।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক উষ্ণতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সব থেকে বেশি কার্যকর এই আমাজন। কিন্তু শুধুমাত্র এ বছরই বনটিতে ৮০ হাজারেরও বেশি আগুন লেগেছে। যা গত বছরের তুলনায় ৭৭ শতাংশ বেশি। পরিবেশবাদীদের দাবি, দেশটির কট্টর ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর নীতিই আমাজনের এমন পরিণতির জন্য দায়ী।
