আরএসএস ও র’কে নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন

ফন্ট সাইজ:

মার্কিন আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের জন্য ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং ‘র’-এর মতো গোয়েন্দা সংস্থার উপর টার্গেটেড নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসাবে চিহ্নিত করতে এবং ওয়াশিংটনকে অস্ত্র বিক্রয় ও বাণিজ্য নীতিগুলিকে ধর্মীয় স্বাধীনতার সাথে যুক্ত করতে বলেছে। মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের এই প্রতিবেদন নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে পূর্ববর্তী বছরগুলিতে মার্কিন সংস্থার প্রতিবেদনকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছে। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেসের একটি আইন দ্বারা তৈরি মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন ‘বিদেশে ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতার সার্বজনীন অধিকার পর্যবেক্ষণ করে’ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কংগ্রেসের কাছে সুপারিশ করে।
তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন যুক্তি দিয়েছে যে, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি ‘ক্রমাগত অবনতি’ হচ্ছে এবং ভারত সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং উপাসনালয়গুলিকে ‘লক্ষ্যবস্তু’ করছে বলে অভিযোগ করেছে।
কমিশন ওয়াকফ (সংশোধন) আইনের মতো আইনের সমালোচনা করেছে। বলা হয়েছে, ইসলামিক দাতব্য দান নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় ব্যাপক পরিবর্তনের বিধান রাখা হয়েছে। সেইসব মার্কিন কমিশন মহারাষ্ট্র, ওড়িশা এবং উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘাতের কথা উল্লেখ করেছে এবং সহিংসতার জন্য আরএসএস-এর সহযোগী বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মতো গোষ্ঠীগুলিকে দায়ী করেছে। সুপারিশে মার্কিন ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশন মার্কিন সরকারকে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়গুলিতে ভারতকে চাপ দিতে বলেছে। ভারতে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করার জন্য অস্ত্র রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারা ৬ প্রয়োগ করারও আহ্বান জানিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন