বিএনপি’র প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১১ সালে ১৬ই মার্চ সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। দিনটি উপলক্ষে আজ সোমবার সকাল থেকে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া দুপুরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খান রিতা। বাদ জোহর মরহুম খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের হাতে গড়া মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। মানবজমিনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বড় ছেলে খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু।
তিনি জানান, আশির দশকের শেষদিকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বেচ্ছাচারী শাসনবিরোধী আন্দোলনে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সাতদলীয় মোর্চার লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির পর বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার হওয়ার প্রাক্কালে তিনি দলের মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভূঁইয়াকে বহিষ্কার করে তদস্থলে স্ট্যাডিং কমিটির সদস্য খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে দলের মহাসচিব পদে নিয়োগ দেন। এক এগারোর পর যখন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের সিনিয়র নেতৃবর্গ আটক ছিলেন, খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন তখন অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে সংকটের মোকাবিলা করে দলের ঐক্য ও অখণ্ডতা অক্ষুণ্ন রাখেন। ২০০৯ সালের ৮ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলের পর পুনরায় তিনি বিএনপি’র মহাসচিব নিযুক্ত হন।
খন্দকার আকবর হোসেন জানান, খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন মনেপ্রাণে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতেন। নিজে বিএনপি করলেও অন্য দলগুলোর প্রতি তার শ্রদ্ধাবোধ ছিল। ছিল পরমতসহিঞ্চুতা। প্রতিপক্ষের কঠোর সমালোচনা করতেন তিনি। কিন্তু বিদ্বেষ বা শত্রুতা নয়, সবকিছুর পেছনে থাকতো কেবলই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কখনো একচুল পরিমাণ ছাড় দেননি তিনি। নিখাঁদ ছিল তার দেশপ্রেম। ২০১১ সালে ১৬ই মার্চ বিএনপি’র মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ থেকে
১৬ মার্চ (সোমবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
