সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার রাজধানীর কৃষীবিদ ইন্সটিটিউটে ঠাকুরগাঁও জেলা সমিতি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, মেধাকে প্রাধান্য দিতে হবে। আমরা খালি অমুকের ভাই, বিশ্বাস করুন- সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খালি তদবির। সেই তদবিরগুলো হচ্ছে পোস্টিং-টোস্টিং এই সমস্ত। দরকার আছে সেসব করতে হবে। কিন্তু সেগুলোকেই যদি প্রধান গুরুত্ব দেই তাহলে তো মুশকিল হবে। আরেকটা ব্যাপার আছে, সবাই শুধু ঠাকুরগাঁও চলে যেতে চান। এদিকে চাকরি করেন, আর আমাকে শুধু বলেন-স্যার আমাকে একটু ঠাকুরগাঁয়ে বদলি করে দেন। এই ধারনাগুলো বাদ দিতে হবে।
নিজের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে উন্নয়নে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, চার লেনের সড়ক নির্মাণসহ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং স্থানীয় জনগণের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করার বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি সমিতির নামে বিভক্ত সৃষ্টির সমালোচনা করে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের ছেলেরা খালি ঘুরে ঘুরে করে চাকুরি খুঁজে। এভাবে চাকুরি তো পাওয়া যাবে না। চাকুরি তো অসম্ভব। এজন্য আমাদের নিজেদেরকে আত্মকর্সসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, বিনিয়োগ করতে হবে, ছোট ছোট উদ্যোগ নিয়ে কাজ করতে হবে। মেধাকে প্রাধান্য দিতে হবে। আমরা খালি অমুকের ভাই, ভাই একটু বলে দেন। অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও জেলা সমিতির সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Mohsin
২ মাস আগেস্যার তদবির পার্টির পিছে সময় অপচয় না করে দল মতো নিবিশেষে সবাইর এই মূহুর্তে একটা চাওয়া তাহা হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কারণ কাউন্সিলার বা চেয়ারম্যান না থাকাতে মানুষের নিত্য প্রয়োজনে কোনো ডকুমেন্টের জন্য ওয়ার্ড অফিস গেলে অতিরিক্ত টাকা ছাড়া কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না বাংলাদেশে যেকয়টি শীর্ষ দূর্নীতিগ্রস্ত সেবা প্রতিস্টান আছে যেমন ভূমি,বিদ্যুৎ,নির্বাচন কমিশন অফিস গুলো তার মধ্যে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকে প্লাস হয়েছে দেশের প্রতিটি জেলার ওয়ার্ড অফিসগুলো ঐসময়ে জনগণের চরম ভোগান্তির কথা চিন্তা করে ড,মুহাম্মদ ইউনুসের সরকার সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছিল কিন্তু দুঃখের বিষয় বিএনপির প্রবল বিরোধীতার মুখে তাহা সম্ভব হয় নাই সুতরাং আর সময়ক্ষেপন না করে দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে ওয়ার্ড অফিসের ঘুষখোর কর্মচারীদের থেকে সাধারণ জনগণ কে উদ্ধার করুন কেননা ইতিমধ্যে জনগণের পিট দেওয়ালে ঠেকেছে।