বিসিবি’র শীর্ষপদে চোখ তামিমের

বিসিবি’র শীর্ষপদে চোখ তামিমের

ফন্ট সাইজ:

দেশের ক্রিকেটে এখন পালাবদলের হাওয়া। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সবশেষ নির্বাচন নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। অনিয়মের অভিযোগ তুলে সেই নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। শুধু তা-ই নয়, ঢাকার অধিকাংশ ক্লাবকে সঙ্গে নিয়ে জোরালো প্রতিবাদও জানিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে গঠিত হয়েছে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি। বর্তমান বোর্ডের ভবিষ্যৎ এখন সেই কমিটির রিপোর্টের ওপর নির্ভরশীল। সংগঠকদের ঘরোয়া লীগ বর্জনের ডাকে মাঠের ক্রিকেটও প্রায় স্থবির হয়ে আছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই নিজের নতুন লক্ষ্যের কথা জানালেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সংগঠক হিসেবে কাজ করার ইচ্ছা তার আগে থেকেই ছিল। এবার সরাসরি বিসিবি’র শীর্ষ পদে বসার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেন তিনি। সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তামিম।

সেখানে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নানা প্রশ্ন করা হয়। অবধারিতভাবেই উঠে আসে বিসিবি সভাপতি হওয়ার প্রসঙ্গটি। বোর্ড পরিচালনার যোগ্যতা তার আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দারুণ আত্মবিশ্বাসী। নিজের সামর্থ্য নিয়ে কোনো সংশয় নেই এই ড্যাশিং ওপেনারের। সুযোগ পেলে তিনি দায়িত্ব নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। এ বিষয়ে নিজের দৃঢ় অবস্থান জানিয়েছেন একটি সাক্ষাৎকারে। একটি পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘যদি সুযোগ আসে অবশ্যই।’ খেলা ছাড়ার পর কেন সরাসরি বোর্ডের শীর্ষ পদে বসতে চান, তার একটি সুস্পষ্ট ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তামিম। অনেকেই তার প্রশাসনিক অনভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারেন। তবে এই বিষয়ে তার যুক্তি বেশ জোরালো। তামিমের মতে, ক্রিকেট প্রশাসনে অভিজ্ঞতার চেয়ে সদিচ্ছা থাকাটা বেশি জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেটের সাথে যুক্ত থাকায় এই অঙ্গনের নাড়িনক্ষত্র তার জানা। সংগঠক হিসেবেও নিজের সক্ষমতা নিয়ে তিনি আশাবাদী। বিগত দিনের উদাহরণ টেনে তিনি বর্তমান ব্যবস্থার সমালোচনা করেন। তার মতে, গত দুই দশক ধরে অনেক অভিজ্ঞ সংগঠক বিসিবি পরিচালনা করেছেন। কিন্তু দেশের ক্রিকেট কি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছে? দীর্ঘদিনের সেই অভিজ্ঞদের প্রতি মানুষের আস্থা ছিল। কিন্তু ফলাফলের খাতা খুব একটা সমৃদ্ধ নয় বিধায়, এবার সেই পুরনো ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে আসার সময় হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেশের ক্রিকেটে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করেন তিনি। তামিমের স্পষ্ট বার্তা হলো, এতদিন কেবল অভিজ্ঞদের ওপরই ভরসা রাখা হয়েছে। এবার অন্তত একবার তার মতো তথাকথিত অনভিজ্ঞদের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা উচিত। হয়তো এই নতুনরাই ক্রিকেটের সামগ্রিক কাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন। এদিকে, নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতার সুরাহা এখনো হয়নি। ৭৬টি ক্লাবের মধ্যে ৫০টি ক্লাবকে একীভূত করে তামিম যে আন্দোলনের সূচনা করেছেন, তা এখনো চলমান। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান পর্ষদ এই মুহূর্তে চরম চাপে রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের গঠন করা পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে। তাদের ১৫ কার্যদিবসের রিপোর্টের পরই নির্ধারিত হবে বিসিবি’র আগামী দিনের রূপরেখা।

আমিনুল ইসলাম

২ মাস আগে

দেশের ক্রিকেটকে জিম্মি করে, হাজারো ক্রিকেটারের পেটে লাথি মেরে নিজের আখের গোছানোর এক বিশ্রী কামনা।আওয়ামী লীগের আমলে হাসিনার দালালি করেছে।যখন বুঝতে পেরেছে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে তখনই বিএনপি হয়ে গেছে। ইশরাক ও আমিনুলের পিছনে ঘুরঘুর করতেছে। শুধু তার কারণে কোন ক্রিকেট মাঠে গড়াচ্ছে না।

মন্তব্য করুন