পিয়াজ চাষের অন্যতম উপজেলা দৌলতপুরসহ কুষ্টিয়া জেলায় এ বছর মুড়িকাটা পিয়াজের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় চারা পিয়াজ রোপণের পর তা পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। ভালো ফলনেরও আশা করছেন তারা। তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পিয়াজের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি চাষিদের। কুষ্টিয়ায় চলতি মৌসুমে ১০ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে চারা পিয়াজ বা শীতকালীন পিয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও চাষ হয়েছে ১১ হাজার ৮২৫ হেক্টরে জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায় প্রতিবিঘা জমিতে চারা পিয়াজ চাষে চাষিদের খরচ হচ্ছে ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা।
সার, কীটনাশক, তেল ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছর উৎপাদন খরচও বেশি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতিবিঘা জমিতে পিয়াজের ফলন ৬০ মণ থেকে ৭০ মণ পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশ থেকে পিয়াজ আমদানি করা না হলে এবং পিয়াজের বাজারদর ভালো থাকলে প্রতিবিঘা জমিতে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা লাভবান হবেন বলে আশা করছেন দৌলতপুর উপজেলার শশীধরপুর গ্রামের পিয়াজ চাষি নাসির উদ্দিনসহ জেলার পিয়াজ চাষিরা।
পিয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধিতে চাষিদের বীজ, সার সহ প্রয়োজনীয় প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর পিয়াজ চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শওকত হোসেন ভূঁইয়া। এ বছর কুষ্টিয়া জেলায় ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ২০০ টন পিয়াজ উৎপাদন হবে যার বাজারমূল্য প্রায় ৭৫৬ কোটি টাকা।
