ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের ঘরোয়া ক্রিকেটে জেঁকে বসেছে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কালো ছায়া। ২০২৩-২৪ মৌসুমের ‘বিম-১০’ টুর্নামেন্টে দুর্নীতি ও ম্যাচ পাতানোর অভিযোগে একজন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক, একজন কর্মকর্তা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন ক্রিকেটারকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। গতকাল রাতে এক বিবৃতিতে এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানায় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
আইসিসি ও ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের (সিডব্লিউআই) দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে অভিযুক্তরা হলেন টাইটানস ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক চিত্তরঞ্জন রাঠোর, দলীয় কর্মকর্তা ট্রেভন গ্রিফিথ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জাভন সিয়ার্লস। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাদের ওপর তাৎক্ষণিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আগামী ২৫শে মার্চ পর্যন্ত তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
আইসিসির তদন্ত অনুযায়ী, বিম-১০ টুর্নামেন্টের ম্যাচের ফলাফল ও গতিবিধি প্রভাবিত করার জন্য এই তিনজন সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। পেসার জাভন সিয়ার্লসের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন রাখার চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, কর্মকর্তা ট্রেভন গ্রিফিথকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা ভঙ্গের দায়েও অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক চিত্তরঞ্জন রাঠোরের বিরুদ্ধে ক্রিকেটারদের অনৈতিক কাজে প্ররোচিত করার প্রমাণ পেয়েছে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট (এসিইউ)।
বিম-১০ টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে গত জানুয়ারি থেকেই তদন্ত শুরু করে আইসিসি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার অ্যারন জোন্সের বিরুদ্ধেও একই টুর্নামেন্টে দুর্নীতির পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। আইসিসি ইঙ্গিত দিয়েছে, এই চক্রের সাথে আরও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন, যাদের নিয়ে গোপনীয়ভাবে অনুসন্ধান চলছে। পুরো শৃঙ্খলা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে আইসিসি।
ক্যারিবীয় ক্রিকেটে ফিক্সিংয়ের থাবা
মালিক ও খেলোয়াড়সহ নিষিদ্ধ ৩
স্পোর্টস ডেস্ক
খেলা
২ মাস আগে
১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ৩ঃ৪০ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
