শেখ হাসিনার আমলে সংগঠিত গুম-খুনসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সেনা কর্মকর্তাদের মামলার পুনঃতদন্তের দাবি করেছেন ডিফেন্স আইনজীবী এবিএম হামিদুল মিসবাহ। একইসঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তার সেনা কর্মকর্তা দের সেনা আইনে বিচারের দাবি করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ দাবি তোলেন আসামিপক্ষের এই আইনজীবী।
হামিদুল মিসবাহ বলেন, সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা চলমান রয়েছে ট্রাইব্যুনালে। এসব মামলায় চাকরিরত ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রয়েছেন। এর মধ্যে একটি জেআইসিতে গুম-নির্যাতনের মামলায় ডিজিএফআইয়ের তিন কর্মকর্তা, টিএফআই সেলে গুমের মামলায় র্যা বের ১০ কর্মকর্তা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যা মামলায় বিজিবির দুই কর্মকর্তা। তিনটি মামলাতেই সাক্ষী চলমান রয়েছে। কিন্তু এই মামলাগুলো ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে না। যেহেতু তারা কর্মরত সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। আইন দেখলেই বোঝা যাবে এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না। তাই এখানে শুধু আইসিটি আইন চিন্তা করলেই হবে না। এখানে সেনা আইনও রয়েছে। যেহেতু তারা চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা, সেহেতু বিচারটা সেনা আইনেই হওয়া সম্ভব ছিল। তবে এখনও যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা আইনের মধ্যেই সুযোগটা করে দেওয়া আছে যে তাদের বিচার সেনা আইনে হতে পারে।
এসব মামলায় তদন্তে গাফিলতি হয়েছে কিনা জানতে চাইলে এই আইনজীবী বলেন, সেনা আইন থাকা সত্ত্বেও ট্রাইব্যুনালের আইনকে ঘষামাজা করে সংশোধন আনা হয়েছে। যা সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অথচ সেনা আইনটি অনেক পুরোনো আইন। তাই আমরা মনে করি এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। অর্থাৎ সেনা কর্মকর্তাদের মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
মিসবাহ আরও বলেন, আমরা অবশ্যই এসব মামলার পুনঃতদন্ত চাইবো। কারণ নিজেদের তাগিদে আত্মসমর্পণ করেছেন ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা। তারা বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। তারা চাইলেই অপারগতা প্রকাশ করতে পারতেন। কিন্তু তারা সেটি করেননি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এখানে এসেছেন তারা।
সেনা কর্মকর্তাদের মামলায় পুনঃতদন্তের দাবি
স্টাফ রিপোর্টার
অনলাইন
২ মাস আগে
১২ মার্চ (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ১২ঃ১৯ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

Rafiqulislam
২ মাস আগেএটা ন্যায় বিচারে বাধা প্রদান করার চেষ্টা বলে মনে করি এবং অপরাধী সেনা কর্মকর্তাদের শাস্তি থেকে রেহাই দেওয়ার চেষ্টা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের বিচারটা খুব স্বচ্ছভাবে এবং অত্যন্ত শক্তিশালী প্রাণাদির মাধ্যমেই করা হচ্ছ। তারপর ও কেন এ ধরনের দাবি উত্থাপন করতে হবে?