দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলে দাবি করেছেন আইনমন্ত্রী। একই সঙ্গে গায়েবি ও মিথ্যা মামলার সংস্কৃতিও অনেকটাই কমে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএল.এম. ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের জন্য আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। মানবাধিকার সূচকে উন্নতির লক্ষ্যে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়েছে এবং বর্তমানে তা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, অতীতে গায়েবি বা মিথ্যা মামলার কারণে অনেক মানুষ দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সেই সংস্কৃতি কমিয়ে আনতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। তবে পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে এমন দাবি করা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শত শত মানুষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, যেগুলোর তদন্ত শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ব্যবসা-বাণিজ্য, বিদেশ যাত্রা কিংবা চিকিৎসার মতো জরুরি কাজেও বাধার মুখে পড়েন। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারার প্রসঙ্গ তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, মানুষের ভোগান্তি কমাতে অন্তর্বর্তীকালীন পুলিশ রিপোর্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত রিপোর্ট নয়, বরং একটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন তদন্ত ঝুলে থাকার কারণে যাতে মানুষ অযথা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। তবে এই ব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। এ ধরনের অপব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।
বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের নাগরিকদের জন্য আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব, যদি সংশ্লিষ্টরা সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। আগামীকাল দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে। গণতন্ত্রের ধারাকে শক্তিশালী করা এবং মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
ডুলার সভাপতি শেখ আলী আহমেদ খোকনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় হাইকোর্টের বিচারপতি ও আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নী জেনারেল এডভোকেট মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার সালাহউদ্দিন দোলন, এডভোকেট ওয়ালিউর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সত্যবাদী
২ মাস আগেহাসিনার দোসর তুরিন আফরোজের মা কি অবশেষে কোনো বিচার পেলো? নারীর উপর নারীর নির্যাতন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো এবং রাষ্ট্র ক্ষমতার অপব্যাবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ এই তুরিন আফরোজকে খালাশ দিচ্ছে আপনারই অধনস্ত বিচারকরা। সত্যি সেলুকাস !