জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে আদেশের জন্য ৩০শে মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। অপর সদস্য হলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বাড্ডা ও আশপাশ এলাকায় ২৩ জনকে হত্যাসহ এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগের আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিপক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক। তিনি বলেন, ‘আন্দোলন চলাকালে ১৯শে জুলাই গণভবনে অনুষ্ঠিত ১৪ দলীয় বৈঠকে এই আসামিরা উপস্থিত থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের ক্ষমতা ছিলো না। এই বৈঠকের মুখপাত্র ছিলো আমীর হোসেন আমু এবং বৈঠক শেষে ব্রিফিং করেন সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি সারা দেশে কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত জানান এবং স্যুট অ্যাট সাইটের কথা জানান। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়েছে ১৪ দলীয় বৈঠকে আমার ক্লায়েন্টরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ঐ মিটিং এর ব্যাপারে কোনো রেজুলেশনে দাখিল করা হয়নি। সুতরাং এই দুই আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন আইনজীবী মুনসুরুল হক।
তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলন চলাকালে সারা দেশে যেসব ঘটনা ঘটেছিলো তার মতো কোনো ইন্সিডেন্ট কেরানীগঞ্জে ঘটেনি। কেরানীগঞ্জের এমপি হিসেবে কামরুল ইসলামের দায়িত্ব ছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। কিন্তু ১৯ জুলাই সরকারি ত্রাণ দেয়ার জন্য একটি মিটিং হয়, কিন্তু প্রসিকিউশনের দাবি এই মিটিং এর মাধ্যমে কারফিউ ও 'স্যুট অ্যাট সাইট' বাস্তবায়ন করেন আসামি কামরুল ইসলাম- এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তার আইনজীবী।
তিনি বলেন, ‘পুরো জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কেরানীগঞ্জে কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত হয়নি।’ পরে, প্রসিকিউশনের শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে আদেশের জন্য আগামী ৩০ মার্চ দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।
জুলাই হত্যাকাণ্ড: কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশ ৩০ মার্চ
স্টাফ রিপোর্টার
অনলাইন
৩ মাস আগে
১১ মার্চ (বুধবার), ২০২৬, ১ঃ৫৫ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
