প্রতীক বরাদ্দের অপেক্ষায় প্রার্থীরা আপাতত মাঠ জুড়ে নীরবতা

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন

প্রতীক বরাদ্দের অপেক্ষায় প্রার্থীরা আপাতত মাঠ জুড়ে নীরবতা

ফন্ট সাইজ:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই বগুড়া-৬ আসনে বেজে উঠেছে উপনির্বাচনের সুর। তফসিল অনুযায়ী আগামী ৯ই এপ্রিল এ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী আসনটি ছেড়ে দেয়ায় এখানে নতুন জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, মাঠের চিত্র ততটাই শান্ত। প্রতীক বরাদ্দ না হওয়ায় এখনো জনমনে কিংবা শহরের অলিতে গলিতে সেই পরিচিত নির্বাচনী আমেজ চোখে পড়ছে না। আগামী ১৫ই মার্চ প্রতীক বরাদ্দের অপেক্ষায় রয়েছে নেতাকার্মীরা। প্রতীক পেয়েই মাঠে নেমে পড়বেন প্রচারে।
উপনির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা। অন্যদিকে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছেন বগুড়া শহর জামায়াতের আমীর আবিদুর রহমান সোহেল। হেভিওয়েট দুই প্রার্থীর অংশগ্রহণে ভোটযুদ্ধ জমার কথা। তবে প্রচার প্রচারণায় এখনো সেই উত্তাপ নেই। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কার্যালয়গুলোয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নির্বাচন। কিন্তু সরব প্রচারণার শুরু হয়নি এখনো। তবে প্রার্থীরা বর্তমানে ইফতার মাহফিলে কৌশলে নিজের পক্ষে ভোটের রায় নেয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতীক পেলেই শহরের সাতমাথা কিংবা বনানী মোড় হয়ে উঠবে পোস্টার বা ব্যানারের আধিপত্য। শোনা যাবে মাইকের আওয়াজ। মুখর হয়ে উঠবে পাড়া-মহল্লা। এখন সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের নীরবতা কাজ করছে। তবে হাতে সময় কম থাকায় শেষ মুহূর্তে প্রচারণার পালে হাওয়া লাগবে বলে আশা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেয়া এ আসনে বিএনপি’র রেজাউল করিম বাদশা ও জামায়াতের আবিদুর রহমান সোহেলের মধ্যকার লড়াইকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তবে মাঠের নীরবতা ভেঙে প্রার্থীরা কবে নাগাদ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে সজাগ উপস্থিতি জানান দেবেন, সেই অপেক্ষাতেই আছে বগুড়াবাসী।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন