ইরানে একতরফা মার্কিন-ইসরাইল হামলার ঘটনাপ্রবাহ প্রথাগত সামরিকশক্তির সীমাবদ্ধতা ও অপ্রতিসম যুদ্ধ (Asymmetric Warfare) পরিস্থিতির একটি ধ্রুপদী চিত্র তুলে ধরেছে। কাগজেকলমে বৈশ্বিক সামরিক সক্ষমতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদিও শীর্ষস্থানে রয়েছে, তবুও ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাত প্রথাগত যুদ্ধের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে পারে। সরাসরি সম্মুখ সমরের পরিবর্তে ইরান ‘অপ্রতিসম যুদ্ধ’ কৌশল গ্রহণ করার সম্ভাবনা প্রবল। এর মূল লক্ষ্য হবে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করা, প্রতিপক্ষের সামরিক খরচ, ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি বৃদ্ধি করা এবং মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রবল প্রতিপক্ষের বিজয়কে অনিশ্চিত করে তোলা এবং নিজের পরাজয়কে এড়িয়ে যাওয়া।
মধ্যপ্রাচ্য, পশ্চিম এশিয়া তথা পারস্যের ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রতিরক্ষা ব্যূহ চলমান সংঘাতে ইরানকে সাহায্য করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বেকায়দায় ফেলছে। ইরানের বিশাল ভূখণ্ড, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল এবং উন্নত ভূগর্ভস্থ সামরিক অবকাঠামো যেকোনো বহিরাগত শক্তির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ইতিহাস সাক্ষী-বিগত শতাব্দীর ষাটের দশকের ভিয়েতনাম যুদ্ধ কিংবা আফগানিস্তান যুদ্ধে (২০০১-২০২১) যেমনটি দেখা গেছে-কঠিন ভূগোল রক্ষণাত্মক বাহিনীকে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরোধ গড়ার বাড়তি সুবিধা দেয়, যা আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আক্রমণকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ইরানে যৌথ আক্রমণ করে মার্কিন-ইহুদি গোষ্ঠী তেমনই তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বাদ গ্রহণ করছে।
ইরানের যুদ্ধ কেবল দেশটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ক ও বহুমাত্রিক যুদ্ধক্ষেত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। ইরানের কৌশলগত শক্তির একটি বড় স্তম্ভ হলো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে তাদের বিস্তৃত প্রক্সি নেটওয়ার্ক। লেবানন, ইরাক, সিরিয়া এবং ইয়েমেনে সক্রিয় মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে ইরান এই সংঘাতকে দ্বিপক্ষীয় লড়াই থেকে একটি আঞ্চলিক বা বহুমাত্রিক যুদ্ধে রূপান্তর করতে সক্ষম। এতে করে যুদ্ধ কেবল একটি নির্দিষ্ট সীমান্তে সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে মার্কিন-ইহুদি গোষ্ঠী ইরান আক্রমণ করতে প্রতি-আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে ইরান-বান্ধব গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে। ফলে ইরানের সামরিক কৌশল এবং এর আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মার্কিন-ইহুদি লবিকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষত ইরানের ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ (অীরং ড়ভ জবংরংঃধহপব) বা প্রক্সি নেটওয়ার্ক কীভাবে একটি সংঘাতকে বহুমাত্রিক রূপ দেয়, তা প্রতিপক্ষের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয়।
কারণ, বর্তমান বৈশ্বিক সংঘাত কাঠামোতে প্রক্সি নেটওয়ার্কের ভূমিকা ও এর কৌশলগত গভীরতা খুবই বেশি। ইরানের সামরিক দর্শনের মূল ভিত্তি হলো ‘ঝঃৎধঃবমরপ উবঢ়ঃয’ বা কৌশলগত গভীরতা। ইরান জানে যে, সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের মতো উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর শক্তির সঙ্গে প্রথাগত যুদ্ধে জেতা কঠিন। তাই তারা লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনে তাদের মিত্রগোষ্ঠীগুলোকে শক্তিশালী করেছে। এই নেটওয়ার্কের কারণে ইরান আক্রমণ করলে প্রতিপক্ষকে কেবল একটি দেশের সঙ্গে নয়, বরং অন্তত চারটি আলাদা রণাঙ্গনে লড়াই করতে হয়। ইরানের প্রধান প্রক্সি শক্তি ও তাদের সক্ষমতার চিত্রও মার্কিন-ইহুদি গোষ্ঠীর জন্য চিন্তার বিষয়। ইরান-বান্ধব গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে তারা যেভাবে পাল্টা আঘাত (জবঃধষরধঃরড়হ) হানে, তার অভিজ্ঞতাও প্রতিপক্ষের জন্য মারাত্মক। যেমন, লেবাননের হিজবুল্লাহ। এটি ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রক্সি। তাদের কাছে লক্ষাধিক রকেট এবং নির্ভুল লক্ষ্যভেদী মিসাইল রয়েছে, যা সরাসরি ইসরাইলের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম। মার্কিন-ইসরাইল জোট ইরান আক্রমণ করলে হিজবুল্লাহ উত্তর দিক থেকে দ্বিতীয় একটি রণাঙ্গন খুলে দেয়।
লেবাননের হিজবুল্লাহ’র পর আসে ইয়েমেনের হুতি (আনসারুল্লাহ) গোষ্ঠীর নাম। লোহিত সাগরে (জবফ ঝবধ) হুতিদের অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত। তারা ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ড্রোনের মাধ্যমে কেবল ইসরাইল নয়, বরং লোহিত সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ এবং বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ করে বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে।
তদুপরি, ইরাক ও সিরিয়ার ইরান সমর্থক শিয়া মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোও কম শক্তিশালী নয়। ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও রকেট হামলার মাধ্যমে এই গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি চাপের মুখে রাখে। সবচেয়ে বড় যে শক্তি ইরানের পেছনে রয়েছে, তাহলো বিশ্বব্যাপী জনসমর্থন। ইরান আক্রমণের পরক্ষণেই বিশ্বের নানা দেশে মার্কিন-ইহুদি দূতাবাস ও স্থাপনায় হামলা করে ইরান-সমর্থক জনতা। বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্যের আগ্রাসনবিরোধী অবস্থানে ইরান এগিয়ে থাকায় মুসলিম জনতার আবেগ ও সমর্থন বহুলাংশে ইরানের পক্ষে, যা তাদের শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
ফলে ইরানে হামলা কেবল দ্বিপক্ষীয় লড়াই না হয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিসরে ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল। কারণ, যখন কোনো শক্তি ইরানকে আক্রমণ করে, তখন ইরান সরাসরি যুদ্ধের পরিবর্তে এই প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে সক্রিয় করে দেয়। ফলে যুদ্ধটি আর কেবল ‘ইরান বনাম আক্রমণকারী’ থাকে না। এটি হয়ে ওঠে একটি ‘অপ্রতিসম আঞ্চলিক যুদ্ধ’।
মার্কিন-ইহুদি গোষ্ঠীকে তাই ইরান আক্রমণের মাধ্যমে একটি বহু-মঞ্চের সংঘাতকে আলিঙ্গন করতে হচ্ছে। সিরিয়া থেকে গোলান মালভূমি, লেবানন থেকে উত্তর ইসরাইল এবং ইয়েমেন থেকে লোহিত সাগর-সবগুলো পয়েন্টেই একসঙ্গে সংঘাত শুরু হচ্ছে। এতে আক্রমণকারী বাহিনীর শক্তি ও মনোযোগ বিভক্ত হয়ে পড়ে ও জয়ের আশা প্রতিআক্রমণ আর পরাজয়ের আবহে পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে। অতীতেও যখনই মার্কিন-ইহুদি গোষ্ঠী বা মার্কিন-ইসরাইল জোট ইরানি স্বার্থে আঘাত হানতে চায়, তারা এই প্রক্সি নেটওয়ার্কের তীব্র প্রতি-আক্রমণের (ঈড়ঁহঃবৎ-ধঃঃধপশ) মুখে পড়ে, যা ভয়াবহতা থাকে ব্যাপক। কেননা, এই গোষ্ঠীগুলো গেরিলা যুদ্ধ এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে পারদর্শী হওয়ায় তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা কিংবা পুরোপুরি প্রতিহত করা মোটেও সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে যুদ্ধের আড়ালে যে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চলে, তাতেও হামলাকারীরা হারতে থাকে। কারণ, ইরান শুধু সামরিক যুদ্ধ চালায় না, মানসিক চাপের পরিস্থিতি তৈরি করে ইসরাইলের সাধারণ জনজীবন ব্যাহত করে। একইভাবে, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে নীতিনির্ধারক ও নেতৃত্বকে বিভাজিত করে। এসবই ইরানের সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রধান লক্ষ্য, যা প্রতিপক্ষকে দুর্বল করে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে মার্কিন-ইহুদি পক্ষের আক্রমণ দৃশ্যত ইরান ও তার মিত্রদের প্রতিআক্রমণের মুখোমুখি। বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে, গাজা বা লেবানন সংকটে ইরান সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও তাদের এই মিত্রগোষ্ঠীগুলো (বিশেষ করে হুতি ও হিজবুল্লাহ) যেভাবে আক্রমণ পরিচালনা করছে, তাতে পশ্চিমারা একটি বড় আকারের যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে কূটনীতিতে বাধ্য হচ্ছে। ইরানের এই কৌশল ও নেটওয়ার্ক মূলত একটি ‘ডিটারেন্স’ বা প্রতিরোধক ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। এর মাধ্যমে তারা বার্তা দেয় যে-ইরানের সীমান্ত অতিক্রম করলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন ও ইসরাইলি স্বার্থের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠবে। এই বহুমাত্রিক যুদ্ধের ঝুঁকির কারণেই বড় কোনো শক্তি ইরানকে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে মোকাবিলা করতে দ্বিধাবোধ করে।
বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা এই সংঘাতের বিশেষ দিক। এই সংঘাতের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে (ঝঃৎধরঃ ড়ভ ঐড়ৎসুঁ) সামান্যতম বিঘ্ন ঘটলে বিশ্ব জুড়ে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। এর ফলে জ্বালানির আকাশচুম্বী মূল্যবৃদ্ধি এশিয়া ও ইউরোপের জ্বালানি-নির্ভর অর্থনীতিতে মারাত্মক মন্দা ও অস্থিরতা তৈরি করবে। এরই মাঝে হরমুজ প্রণালির কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ ইরান গ্রহণ করেছে, যা ইরানের প্রতিপক্ষগুলোকে জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
ইরানে হামলা মার্কিন-ইহুদি গোষ্ঠীকে বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা ও বৃহৎ শক্তির সমীকরণের সম্মুখীন করেছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতি ক্রমশ বহুমেরু (গঁষঃরঢ়ড়ষধৎ) হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় চীন (ঈযরহধ) ও রাশিয়ার (জঁংংরধ) মতো শক্তিগুলো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও কূটনৈতিক সমর্থন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বা উন্নত প্রযুক্তিগত সহায়তার মাধ্যমে যুদ্ধের গতিপথ প্রভাবিত করতে পারে। এটি ওয়াশিংটনের একক আধিপত্য বা প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতাকে সীমিত করে তুলবে।
বিশ্বের সর্বত্র দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ গণতান্ত্রিক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়া যার ব্যতিক্রম নয়। বিশেষ করে ইরাক ও আফগানিস্তানের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়ানোর ক্ষেত্রে মার্কিন জনমত এবং রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত জটিল ও সীমাবদ্ধ হতে পারে। তাছাড়া এই চলমান সংঘাত বা যুদ্ধের ঝুঁকির নীতিগত তাৎপর্য অনেক বেশি। যেমন, সংঘাতের ব্যাপ্তি বৃদ্ধির বিপদ। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সম্ভাব্য লড়াই কেবল একটি সামরিক অভিযান নয়, বরং এটি একটি গভীর বহুমাত্রিক ভূরাজনৈতিক সংকটে রূপ নিতে পারে, যার সঙ্গে জড়িত রয়েছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তা বৈশ্বিক অর্থনীতি, বিশেষ করে জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বয়ে আনবে আর এতে বিশ্বের কৌশলগত ভারসাম্য পরিবর্তিত হয়ে যাবে। বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থায় বৃহৎ শক্তিগুলোর পারস্পরিক প্রতিযোগিতা এই সংঘাতের সমীকরণকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত করে তুলবে।
যদিও সংঘাত বা যুদ্ধাবস্থা থেকে বিকল্প পথের সন্ধান অধিকতর লাভজনক, তথাপি অস্ত্রব্যবসায়ী ও যুদ্ধবাজ শক্তি সহজেই শান্তিপূর্ণ বিকল্পের পথে যেতে চায় না। কিন্তু ইরানে আক্রমণ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল লাভের চেয়ে ক্ষতির মুখ দেখছে। তাদের পণ্ডিতগণ এখন কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে সংঘাত ব্যবস্থাপনা (ঈড়হভষরপঃ গধহধমবসবহঃ), কার্যকর কূটনীতি এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার দিকে জোর দিচ্ছেন। ইরানে হামলা যদিও শক্তির অসমতা চিহ্নিত করে, তথাপি সেখানে রয়েছে প্রক্সিযুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জয়-পরাজয়ের আপেক্ষিকতা। ফলে মার্কিন-ইহুদি পক্ষকে সামরিক পন্থা এড়িয়ে বিকল্প পথে চলাই অধিক যুক্তিযুক্ত ও লাভজনক। নইলে, পরিস্থিতি তাদের জন্য সুখকর না-ও হতে পারে।
লেখক: প্রফেসর ও চেয়ারম্যান, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; নির্বাহী পরিচালক, চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)। [email protected]
