সদ্য সাবেক এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে জামিন করিয়ে দেয়ার জন্য এক কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়। প্রসিকিউটরের ঘুষ দাবির খবর প্রকাশের পর মঙ্গলবার দফায় দফায় বৈঠক করে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়। বেঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে উঠা এই অভিযোগের বিষয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করবেন প্রসিকিউশন। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তবে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ জানাবে প্রসিকিউশন। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
সূত্র জানায়, সাংবাদিকদের ব্রিফিং শেষে দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে পুনরায় বৈঠকে বসে পুরো প্রসিকিউশন বিভাগ। বৈঠকে চিফ প্রসিকিউটরকে প্রধান করে ৫ সদস্যর একটি কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি আগামি ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করে সরকারকে সুপারিশ দেবে। সন্ধ্যায় বৈঠক সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা মানবজমিনকে বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম কে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আরো অন্তুর্ভুক্ত করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের সিনিয়র প্রসিকিউটর মো. আব্দুস সোবহান তরফদার ও সদ্য নিযোগ পাওয়া দুজন প্রসিকিউটর মার্জিনা রায়হান (মদিনা) ও মোহাম্মদ জহিরুল আমিন। এছাড়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ল’রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহ কে অন্তভুক্ত করা হয়েছে।
এর আসে দুপুরে ব্রিফিং এ চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, সাইমুমের বিষয়ে যে সংবাদ বেরিয়েছে, তাতে আমরা ব্যথিত হয়েছি। তিনি আরও বলেন, আজকে যে নিউজটা...যদি কোনো ফরমাল অ্যালিগেশন (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) আমার কাছে আসে, আমার যতটুকু ক্ষমতা আছে, আইনানুগভাবে আমার যতটুকু ক্ষমতা আছে, আমি সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।
