আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য পেশ করলেন ইনু

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা

আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য পেশ করলেন ইনু

ফন্ট সাইজ:

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। তবে এদিন মৌখিক সাক্ষ্য দিতে চাইলেও তা মঞ্জুর করেননি ট্রাইব্যুনাল। পরে এ মামলায় আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের জন্য আগামী ২রা এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অপর সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ।

এদিন ট্রাইব্যুনালে সাফাই সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল হাসানুল হক ইনুর। তবে কোনো ধরনের ব্যাখ্যা দেননি তিনি। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তিতর্কের জন্য ২রা এপ্রিল দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। সাধারণত আইনানুযায়ী প্রথমত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। কিন্তু এ মামলায় আগে করবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা।

এ প্রসঙ্গে ইনুর আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ সাংবাদিকদের বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে চাননি হাসানুল হক ইনু। এরপরও তাকে জোর করে আনা হয়েছে। কিন্তু আনলেও তার স্বপক্ষে ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ দেননি ট্রাইব্যুনাল। আমরা ৬৪ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করতে চেয়েছি। সেটিও নেয়া হয়নি। অর্থাৎ এখানে আসামির আইনি অধিকার খর্ব করা হয়েছে বলে দাবি এই আইনজীবীর।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনে নামেন ছাত্র-জনতা। হাসানুল হকের নির্দেশে তাদের ওপর গুলি চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী। তাদের গুলিতে শহীদ হন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ। আহত হন বহু নিরীহ মানুষ। এছাড়া উসকানি-প্ররোচনাসহ ইনুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৮টি অভিযোগ আনা হয়।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন