শ্রীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পরে র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১টি বন্দুক, ১টি বিদেশি পিস্তল, ৮২ রাউন্ড গুলি, ৯টি গুলির খোসা ও ১টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়। গত রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের রৌদ্রপাড়া এলাকায় গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ওই এলাকার বালুর মাঠের সামনে পূর্ব বিরোধ ও এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হারুন খান তার ভাতিজা মান্নান খানের সঙ্গে প্রতিপক্ষ মিজান খানের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হারুন খান তার লাইসেন্সকৃত বন্দুক দিয়ে মিজান গ্রুপের ওপর পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় ভাতিজা মান্নান খানও তার লোকজন নিয়ে চাচা হারুন খানের পক্ষ হয়ে মিজান গ্রুপের ওপর হামলা চালায়। এতে মিজান খান (৩৬), মিনু বেগম (৫০), জয়সন বেগম (৬০) গুলিবিদ্ধসহ তাদের পরিবারের নারী-পুরুষ সহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহত খোরশেদ খান, মোস্তাকিম, ইদ্রিস, কাজল বেগম, ইভা, বন্যা, নুপুর বেগম, আয়ান, ফাহিমা, দোলন, আল-আমিন শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। গুলি বর্ষণের ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে অভিযানে নামে র্যাব-পুলিশের যৌথ বাহিনী। তারা মুক্তিযোদ্ধা হারুন খান (৮০), তার ভাতিজা মান্নান খান (৬০) ও ভাগ্নে মোহসিন খান (২৮)কে গ্রেপ্তার করে। তবে পরিবারের দাবি- মোহসিন খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। গুলির খবর শুনে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, মান্নান খান ও মিজানুর রহমান একসময় একই গ্রুপে ছিলেন। তারা পরস্পর আত্মীয়ও। দু’জনই বাঘড়ার আলোচিত জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার আসামি। সোমবার দুপুরে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ জুয়েল মিঞা বলেন, তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
শ্রীনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি, গ্রেপ্তার ৩
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
১০ মার্চ (মঙ্গলবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
