ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে আটক করে কয়েক দফা মারধরের অভিযোগ উঠেছে জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে মারধর করা হয়। রোববার দিবাগত রাত ৩টার পরে বুয়েট ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
পরে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম রাহিদ খান পাভেল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, রাতে বুয়েটের নজরুল হলের ক্যাফেটেরিয়ায় সেহরির সময় তাকে আটক করা হয়। পরে কয়েক দফায় মারধর করে তাকে বুয়েট গেট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর ও রাজু ভাস্কর্য এলাকায় নেয়া হয়। সবশেষে তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মারধরের সময় তাকে কিল-ঘুষির পাশাপাশি বাইকের শেকল ও তালা দিয়েও আঘাত করা হয়। এতে তার হাতে ও পায়ে আঘাত লাগে। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
আরও অভিযোগ রয়েছে, মারধরের সময় তার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেয়া হয়।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইফুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ধরেছি, শাহবাগ থানায় নিয়ে যাচ্ছি।’
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা পাভেলকে থানায় নিয়ে আসেন। পুলিশ তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাকে আবার থানায় আনা হবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি। তবে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।’

BAD MOUTH
৩ মাস আগেপতিত স্বৈরচারী সরকারের দোসর ও সীমান্তের ওপারের চক্রের দালালরা এর জন্য দায়ী। ====