আন্তর্জাতিক সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করছে ইরান: সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করছে ইরান: সৌদি আরব

ফন্ট সাইজ:

সৌদি আরব, অন্য উপসাগরীয় দেশ, আরব ও ইসলামিক দেশের ওপর হামলার জন্য ইরানের নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানের হামলাকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়ে এই নিন্দা জানায়। মন্ত্রণালয় বলেছে, বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা ‘এটাই প্রমাণ করে যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলার দৃঢ় ইচ্ছা ছাড়া এর অন্য কোনো অর্থ নেই এবং এটি আন্তর্জাতিক সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’। হামলার পক্ষে ইরানের দেয়া যুক্তিও তারা প্রত্যাখ্যান করেছে।

তেহরান দাবি করছে, সৌদি আরব তার ভূখণ্ড থেকে যুদ্ধের জন্য ফাইটার জেট ও জ্বালানি ভরার বিমান পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। তাদের এ দাবিকে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছে। মন্ত্রণালয় ব্যাখ্যায় বলেছে, সংশ্লিষ্ট বিমানগুলো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন থেকে সৌদি আরব এবং জিসিসি’র আকাশসীমা রক্ষায় আকাশে টহল দিচ্ছিল। এ ছাড়া তারা সতর্ক করে বলেছে, ইরানের হামলা অব্যাহত থাকা আরও উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় এবং এর ফলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ওপর গভীর প্রভাব পড়বে।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, আমরা জোর দিয়ে বলছি, আমাদের দেশগুলোর প্রতি ইরানের বর্তমান আচরণ প্রজ্ঞার পরিচয় দেয় না, আবার উত্তেজনার চক্র বিস্তার এড়িয়ে চলার কোনো আগ্রহও প্রকাশ করে না, যে চক্রে ইরানই হবে সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত। ওদিকে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ওই ড্রোনগুলো সৌদি আরবের রাব আল খালি মরুভূমিতে অবস্থিত শাইবা তেলক্ষেত্রের দিকে উড়ে আসছিল।

MONSUR ALAM

৩ মাস আগে

মুনাফিক তোদের মুখে ইরানের বেলায় আন্তর্জাতিক আইন দেখাস আর আমেরিকা -ইজরাইলের বেলায় মুখে কুলুপ লাগায়।

MD Khan

৩ মাস আগে

মিডিল ইস্টের সবগুলি দেশ আমেরিকার ক্রীতদাস। আমেরিকা থেকে অস্ত্র কিনে মুসলিম দেশ ধ্বংস করার জন্য। মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য। আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি সব গুলি দেশে।আমেরিকা যা বলে তাই শুনে। এদের নিজেদের করার কিছুই নাই। এদের কোমরে কোন জোর নাই। গাজায় এত বড় একটা গণহত্যা হলো, এত বড় একটা মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হল, এত নারী শিশু হত্যার স্বীকার হলো, সৌদি আরব বা কুয়েত কাতার কাতার কারোরই করার কিছুই ছিল না। কেউ কিছু করার সামর্থ্যও রাখেনা। এক বোতল পানি পাঠাইতে গেলেও ইসরাইলের অনুমতি লাগে। এরা মুসলিম জাতির কলঙ্ক। এরা আবার আন্তর্জাতিক আইনের কথা বলে ?

মন্তব্য করুন