প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনিকেই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা হয়েছে। অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে এ পরিষদের সদস্য আহমাদ আলামোলহোদা জানান, নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। তবে তিনি নাম প্রকাশ করেননি। এর পরের খবরে বলা হয়, মুজতবা খামেনিকে নতুন নেতা নির্বাচন করা হয়েছে। তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
রাষ্ট্রীয় মিডিয়ায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে ন্যায়পরায়ণ, জ্ঞানী, ধর্মপরায়ণ ও দক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বলেছে, অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট তাকে নির্বাচিত করে তাদের দূরদর্শিতার প্রমাণ দিয়েছে। সমান্তরাল সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড করপসও (আইআরজিসি) খামেনিকে অভিনন্দন জানিয়েছে। তার প্রতি তাদের আন্তরিক ও আজীবন আনুগত্য প্রকাশ করেছে। মুজতবা খামেনিকে তার পিতা আয়তুল্লাহ আলি খামেনির মতোই কট্টরপন্থি হিসেবে দেখা হয়। ফলে চলমান যুদ্ধে ইরানের নীতির কোনো পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না।
স্টিমসন ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক বারবারা স্লাভিন বলেন, এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জন্য এক ধরনের বড় ধাক্কা। কারণ তিনি আগে বলেছেন মোজতবা খামেনিকে চান না তিনি। বারবারা স্লাভিন আরও বলেন, এতে পুরো যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ আরও অর্থহীন মনে হয়। আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করে শেষ পর্যন্ত তার ছেলেকেই তার জায়গায় বসানো হলো। তিনি এমন একজন, যিনি অবশ্যই ক্ষুব্ধ হবেন। কারণ মাত্র এক সপ্তাহ আগে ইসরাইলি হামলায় তার বাবা, মা, স্ত্রী এবং তার এক সন্তান নিহত হয়েছেন। স্লাভিন আরও উল্লেখ করেন, মুজতবা বহু বছর ধরেই তার বাবার সঙ্গে কার্যত শাসনকার্যে যুক্ত ছিলেন। তবে তিনি যোগ করেন, তিনি এমন কেউ নন যিনি ইরানে আরও বেশি মানবাধিকার বা গণতন্ত্র নিয়ে আসবেন বলে মনে হয়।
