ফাইনালে রেকর্ড অভিষেকের

ফাইনালে রেকর্ড অভিষেকের

ফন্ট সাইজ:

গ্রুপ পর্বে নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি অভিষেক শর্মা। সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে ছাড়া আর কারো বিপক্ষে বলার মতো রান করতে পারেননি। এবারের বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচে ‘ডাক’ মারা একমাত্র ক্রিকেটারও অভিষেক। সেই অভিষেকই ফর্মে ফিরলেন বড় মঞ্চে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে। গতকাল নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে ১৮ বলে ফিফটি করেন অভিষেক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড এটি। এর আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল হানরিখ ক্লাসেনের। ২০২৪’র টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ২৩ বলে ফিফটি করেন ডানহাতি এ প্রোটিয়া ব্যাটার। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক একাদশে জায়গা পাবেন কিনা সেই নিয়েও সংশয় জেগেছিল। সেই শঙ্কা কাটিয়ে একাদশে জায়গা পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। ১৮ বলে ফিফটি করার পথে ৬ চার ও ৩টি বিশাল ছক্কা মারেন। আউট হওয়ার আগে ২১ বলে করেন ৫২ রান। এবারের আসরেও এটি দ্রুততম ফিফটি। এর আগে আসরের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডটি যৌথভাবে ফিন অ্যালেন, শিমরন হেটমায়ার, এইডেন মার্করাম ও দাসুন শানাকার ছিল। এদের সবাই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৯ বলে ফিফটি করেন। সবমিলিয়ে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড এখনো ভারতের যুবরাজ সিংয়ের দখলে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এ রেকর্ডটি গড়েন যুবরাজ। দুইয়ে নিউজিল্যান্ডের কলিন মুনরো। অকল্যান্ডে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪ বলে ফিফটি করেন তিনি। এরপরে আছেন অভিষেক। চলতি বছর গুয়াহাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪ বলে ফিফটি করেন তিনি। চারে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি ককের ফিফটি আছে ১৫ বলে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন