ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক ও ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের কারচুপির অভিযোগের দায়ের করা মামলায় ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদি ইসিকে হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একসঙ্গে ওই আসনের বিজয়ী প্রার্থীকে নোটিশ ইস্যুকে করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৮ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রোববার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে তাদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের সাক্ষ্য প্রমাণ এবং যুক্তি উপস্থাপনের পরে মাননীয় বিচারপতি এই দুটি নির্বাচনি পিটিশন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং শুনানির পরবর্তী তারিখ ৮ জুন নির্ধারণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনকে দুটি নির্বাচনি এলাকার প্রত্যেকটা ভোটের মেটেরিয়াল অর্থাৎ ব্যালট বাক্স, মুড়ি থেকে শুরু করে বাক্স সমস্ত যা ছিল সবকিছু সুরক্ষিত রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসনে প্রায় তিন হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন পান ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
আর ঢাকা-১৬ আসনে জয়ী হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোট বেশি পান। বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট এবং আমিনুল ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট পান।

এম.টি রক্সি
৩ মাস আগেডা. শফিকুর রহমান তাঁর নিজের এলাকায় ১৩ হাজার ভোট পান। তিনি কিভাবে পাস করলেন। তাঁর ও নাহিদ ইসলামের ভোটও পুনঃগণনা হোক।