তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইজাদির মতে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে অবস্থান পরিবর্তনের প্রধান কারণ ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া। শনিবার পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলা প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড থেকে না এলে, ইরান আর প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালাবে না- এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কিন্তু রবিবার পেজেশকিয়ান বলেন, তার মন্তব্যকে ‘ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছে সেই শত্রুপক্ষ, যারা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায়’- এ কথা রাষ্ট্রীয় টিভির বরাতে জানা গেছে বলে খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। ইজাদি বলেন, ওই ভিডিওটি প্রকাশের পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তিনি বলেন ইরান নাকি ক্ষমা চেয়েছে এবং এটি প্রমাণ করে যে তারা আত্মসমর্পণ করছে। ইজাদি আরও বলেন, ট্রাম্প এরপর যোগ করেন যে, তিনি এখন এমন জায়গায় হামলা করবেন, যেগুলোতে আগে হামলা করার কথা ভাবেননি। ইজাদি বলেন, সম্ভবত কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি তেল স্থাপনাগুলোর কথাই বলছিলেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের ওই বক্তব্য আসার পর দেশের ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। মি. পেজেশকিয়ান একজন সংস্কারপন্থী প্রার্থী, তাই বিরোধীরা মূলত তাকে সমালোচনা করেছে। কারণ তার কথাগুলো ট্রাম্প নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন।
ট্রাম্পের মন্তব্যের পর অবস্থান বদলাতে পারেন পেজেশকিয়ান
মানবজমিন ডেস্ক
বিশ্বজমিন
৩ মাস আগে
৮ মার্চ (রবিবার), ২০২৬, ৪ঃ১১ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
