মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদের-হানিফের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদের-হানিফের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ

ফন্ট সাইজ:

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ ৭ নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন সিআইডির ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। এদিকে, জুলাই আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যা মামলায় মাহবুবুল আলম হানিফের বিরুদ্ধে জব্দ তালিকার সাক্ষী ও পুলিশ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ মার্চ দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চে এ সাক্ষ্যগ্রহণ হয়। আজ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ ও সহিদুল ইসলাম সরদার।

এদিন, ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে করা মামলায় ৯ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন সিআইডির ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের উপপরিদর্শক শাহেদ জোবায়ের লরেন্স। তিনি এ মামলায় উদ্ধারকৃত আলামতের যাচাই-বাছাইয়ের বর্ণনা দেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে জেরা করেন পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা।

এ মামলায় পলাতক অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

উল্লেখ্য, গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি এ মামলার সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওই দিন প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। একসময় বেসরকারি চাকরি করতেন ৬৫ বছর বয়সী এই সাক্ষী। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় শহীদ হন তার ছেলে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন