লন্ডনে এক বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্বরত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে তার পূর্বসূরির ভাগ্য বরণ করতে হচ্ছে। তাকে প্রত্যাহারের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচিত সরকার।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকার ২০২৫ এর জানুয়ারিতে
আবিদা ইসলামকে লন্ডনে পাঠায়। বৃটেনের বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমকে প্রত্যাহারের পর ১৫ ব্যাচের ওই পেশাদারের নিয়োগ হয়।
শুরু থেকে সেই নিয়োগ নিয়ে আপত্তি ছিল বিএনপি-জামায়াতের। সেগুনবাগিচা এটা নিশ্চিত করেছে যে, ১৭ই ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গঠনের পর কোনো রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার বা মিশন প্রধানকে প্রত্যাহারের ঘটনা এটাই সম্ভবত প্রথম। জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক আবিদা তার আগে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মেক্সিকোতে যাওয়ার আগে আবিদা ইসলাম দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। কলকাতায় বাংলাদেশের প্রথম নারী ডেপুটি হাইকমিশনার (প্রধান মিশন) হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তাছাড়া হেডকোয়ার্টারে তিনি আমেরিকা অনুবিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগ সামলেছেন।

ভিক্ষু শীলানন্দ
৩ মাস আগেযে কোনো সরকার পরিবর্তন হওয়ার পরে রানিং সরকার তাদের নিজস্ব দক্ষ লোকজনকে নিয়োগ দিয়ে কাজের দক্ষতা অর্জনের জন্য পরিবর্তন করতে পারে।