ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভাগের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন, বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান ও শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমান উম্মুল মু’মিনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস। অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৪ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪ অনুসারে থানায় প্রাপ্ত আমলযোগ্য অপরাধের প্রাথমিক তথ্যে আপনার নাম উল্লেখ থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি শৃঙ্খলা বিধির ১৫(ন) ধারা অনুযায়ী আপনাকে গত ৫ই মার্চ থেকে চাকরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। বরখাস্তকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক জীবনধারণ ভাতা পাবেন। এছাড়াও ভিসি হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ছাত্র উপদেষ্টা ড. ওবায়দুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঘটনার সঠিক ও প্রয়োজনীয় তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. মিজানূর রহমান বলেন, আমি মাত্রই চিঠি পেয়েছি। সদস্য সচিবকে কমিটির অন্য সদস্যদের চিঠি দেয়ার জন্য বলেছি এবং আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় এ বিষয়ে মিটিং দিয়েছি। ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মনজুরুল হক বলেন, মামলার এজহার সূত্রে যাদের নাম এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তাদেরকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে ইবি’র দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা বহিষ্কার, তদন্ত কমিটি
ইবি প্রতিনিধি
৮ মার্চ (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
