রাষ্ট্রের বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্রের বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রের বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে সুকৌশলে দলীয়করণ করা হচ্ছে— যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত। জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দ্রুত ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিদেশি কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের সংস্কার প্রক্রিয়ায় যে গতি থাকার কথা ছিল, তা ব্যাহত হচ্ছে। সরকার বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করছে। অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, তা আমাদের জুলাই সনদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে জনকল্যাণে নিয়োজিত করার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ইফতার মাহফিলে ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক, কানাডীয় হাই কমিশনার অজিত সিং, সিঙ্গাপুরের হাই কমিশনার মিশেল লি, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রেমিস সেন, অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি জেমস স্টেওয়ার্ট, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ রামাদান, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার ডেপুটি মোহাম্মদ ওয়াসিম, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন এরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস, সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংলি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য এফেয়ার্স বাইবা জ্যারিনা, ইউএনডিপির ডেপুটি রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দয়ারত্নে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূত ধর্মপালা বীরাক্কোড়ি এবং ঢাকায় জাপান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ তাকাহাসি নাউকি, নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ ললিতা, ঢাকায় জাতিসংঘের প্রতিনিধির কার্যালয়ের প্রতিনিধি এনিউ হেগোস, চীন, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, জার্মানি, ভারত, মালদ্বীপ, ব্রুনেইসহবিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অংশগ্রহণ করেন।
এনসিপি নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন— সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ এমপি, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এমপি, যুগ্ম সদস্য সচিব ও আন্তর্জাতিক সেলের উপ-প্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, নুসরাত তাবাসসুম, জাভেদ রাসিন, সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব ও খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক, যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবদিন শিশির, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম ও সদস্য সচিব ডা. জাহিদুল ইসলাম এবং মুখ্য সংগঠক ফরহাদ সোহেল প্রমুখ।

মোঃ মতিউর রহমান

৩ মাস আগে

দেশ শাসন করবে বিএনপি আর প্রসাশন চালাবেন এনসিপি এই জন্য জণগন বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করছে, ধান্দাবাজী বন্ধ করেন,তার চেয়ে ভাল আসেন সবাই মিলেমিশে দেশ গঠনের সাহায্য করি।

জনতা

৩ মাস আগে

এখানে মন্তব্যের জায়গায় সব নব্য দালালদের আনা গোনা দেখছি। এই দালালগুলোই একটি দেশ ও দেশের সরকারের জন্য খুবই বিপজ্জনক। কারণে এই সব দালালদের কারণে সরকার তার সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়। হাসিনার আমলে বাংলাদেশে এত দালাল পয়দা হয়ে গিয়েছিল যে আদমশুমারী করলে দেখা যেত সাধারণ জনতার চেয়ে দেশে হাসিনার দালালের সংখ্যা কয়েক গুন বেশি ছিল। কিন্তু হায়, আজ হাসিনা কোথায় ও তার দালালরা কোথায়? ফেসবুকে ঢুকলে দেখা যায় দেশে এখন সব বিএনপি হয়ে গেছে, অথচ গত ১৭ বছর হাসিনার আমলে বিএনপি খুজে পাওয়া যেত না। বর্তমান সরকার কে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে এই সুযোগ সন্ধানী দালালদের ব্যাপারে। এই দালালগুলোই সরকারকে বিপথগামী করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। আমরা জনতা চাই বর্তমান সরকার অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সঠিক ভাবে দেশ পরিচালনা করবে ও দালাল মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে দেশেকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

Anwarul Azam

৩ মাস আগে

সব কিছুই এখন কেমন যেন টেস্টলেস। ভালো রাধনি নেই। ভালো লাগে না। মিলে মিশে থাকুন। দলের জন্য না করে দেশের জন্য কিছু একটা করুন। দামি গাড়ি দামি খাবার দামি হোটেলে সভা না করে সাধারণ মানুষের জন্য কিছু একটা করুন। ৫৫ বছর চলে গেল। আরো ভোগ বিলাস না করে সভায় দেশি হাজি বিরিয়ানি পরিবেশন করুন। ফিরনি, চা দিন। সাধারণ মানুষের মতো জীবন অনুসরণ করুন। আমার প্রিয় বাংলাদেশ। বেচে থাক চিরকাল। কি চাইলাম কি পাইলাম। মারসিডিস লেক্সাস পাজেরো ছেড়ে রিকশা সাইকেল চালিয়ে কাজে যান। দয়া করে এসব ছাডুন। ৫৬ হাজার কে সাজান।
সবার জন্য রইল দোয়া।

মোঃ মোশাররফ হোসেন

৩ মাস আগে

দলীয় সরকার, পরিবর্তন তো করবেই। কিন্তু সরকারের কাছে দাবি চাঁদাবাজদের দল থেকে বের করে দিন।

Md. Shahadat Hossain

৩ মাস আগে

আপনাকে এও মনে রাখতে হবে যে জামায়াতের লোক দিয়ে দেশ চালানোর জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দেয়নি। নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই গঠনমূলক রাজনীতি করুন। চেতনা বিক্রি করে আয় রোজগারের বাজার বাংলাদেশে আর হবে না। ক্রেতা নাই। এটা জেন-জি দের বাংলাদেশ। এরা নিজ কর্মে বেহেস্ত যাবে, আপনাদের মতো টিকিট কিনে যাবে না। বেহেস্তের টিকিটের মেয়াদ কতদিন আপনার মুরুব্বিকে জিজ্ঞেস করে জেনে নিবেন- ভোট দিয়ে যারা টিকিট নিলো তারা কি বেহেস্ত যেতে পারবে। এ বিষয়ে কিছু বলবেন প্লিজ। আপনাদের চেতনা বিএনপির বিরুদ্ধে যতোটা কাজে লাগে দেশ ও জনগণের স্বার্থে ততোটা লাগে না।

জনতা

৩ মাস আগে

তোমার জ্ঞান অনেক কম, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে তোমাকে আরো অনেক পড়াশোনা করতে হবে। তুমি জানে না কারা জেন-জি, তুমি জানো না কারা জেন-জির নেতৃত্ব দিয়েছে ২৪শে, তুমি জানো শুধু দালালী, যেটা তুমি তোমার পরিবার থেকে কুশিক্ষার মাধ্যমে পেয়েছো। তুমি মনে করো না জনতা বেকুব। তোমার মত দালাল হাসিনার আমলেও ছিল, এখনো আছে। তবে মনে রাখবা, বাংলার জনতা ছাড় দেয় কিন্তু সীমা লংগন করলে ছেড়ে দেয় না।

Md. Shahadat Hossain

৩ মাস আগে

এই দলীয়করণ কী স্বার্থে হয়েছে তা না বলে কেবল বিরোধিতার জন্যই এমন বক্তব্য দেয়া জামায়াত/আওয়ামী বয়ানের পথেই হাটছেন জনাব নাহিদ ইসলাম। এই তিনি ইউনুস সরকারের সময় প্রশাসন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জামায়াতীকরণের বিরুদ্ধে মুখে কলুপ এটে ছিলেন। ধিক্কার আপনার এমন ডাবল স্টান্ডবাজিকে। ধিক্কার আপনাদের নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতিকে। শুধু জামায়াতের দালালী করার জন্যই কী এনসিপির জন্ম হয়েছে?

Abdul Matin Sikder

৩ মাস আগে

মাত্র ১.৫ বছর জামাত এনসিপির দলীয়করন, লুটপাট আর মববাজী দেখতে দেখতে জনগন একেবারে তিতা হয়ে গেছে। তোমরা হাসিনার চাইতে কোন অংশে কমতো নয়,ই বরং কিছু বেশী, অল্প সময়ে বড় ডাকাত। আমাদের সন্দেহ জামাত শিবির, এনসিপি, গুপ্তলীগ, ভারত হাদীর খুনে জড়িত!? এখন জামাত এনসিপি আর গুপ্তলীগের লুটপাটকারী অপরাধীরা ছাড়া,... বাকী সব জনগন নিজেদের ভোটের সরকার পেয়ে মাশাআল্লাহ্ খুবই স্বস্তিতে আছে, দেশে আরো শান্তি আসবে ইনশাআল্লাহ্। জনগনকে এতো বোকা মনে করোনা, আমরা সব বুঝি, খেতে খেতে তো একেবারে গোপালভাড় হয়ে গেছো, তোমাদের খাওয়া এখন বন্ধ হয়ে গেছে। শত্রুদেশের সাথে গোপন সমঝোতায়, তাদের নির্দেশে ৫ই আগষ্ট পরবর্তী বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে আগের গভর্নরের মতো এই গভর্নর তোমাদের বাসায় আর সরকারী টাকার বস্তা পাঠাবেনা, তাইতো তোমাদের এতো ক্ষোভ, এতো অভিযোগ আর হাহাকার। এখন জনগনের ভোটে নির্বাচিত শক্তিশালী সরকার কিন্তু রাষ্ট্রক্ষমতায়, বাড়াবাড়ি বেশী করলে ১.৫ বছর যাবৎ করে যাওয়া সকল ধরনের লুটপাট, দলিয়করন, মববাজী, বদলী বানিজ্যর সকল গোপন খবর টেনে বাহির করে ছাড়বে, তারপর আইন মোতাবেক ব্যাবস্থা অপরাধীর শেষ ঠিকানা জেলখানা।

এম.টি রক্সি

৩ মাস আগে

আপনারা আর জামায়াত মিলে তো ১৮ মাস আপনাদের লোক ছিল প্রশাসনে। এখন রাজনৈতিক সরকার। তার মতো করে প্রশাসন সাজাবেন যেন দেশটা আর আপনাদের মবের স্বীকার না হয়।

মন্তব্য করুন