নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট : যুক্তরাষ্ট্রপন্থি কুর্দি বাহিনী ইরানে অনুপ্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে

ফন্ট সাইজ:

ইরাকে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রপন্থি ইরানি কুর্দি বাহিনীগুলো সশস্ত্র ইউনিট প্রস্তুতি নিয়েছে। তারা ইরানে প্রবেশ করতে পারে। বিশেষ করে তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র সহায়তা দিয়ে ইরানবিরোধী তৎপরতা সৃষ্টিতে উস্কানি দিচ্ছে। ওদিকে ইরান-ইরাক সীমান্তে এসব কুর্দিদের লক্ষ্য করে হামলা জোরালো করেছে ইরান। এতে ইতিমধ্যেই বিস্তৃত সংঘাতে নতুন একটি ফ্রন্ট খুলে গেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউ ইয়র্ক টাইমস। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের মতে, বর্তমান যুদ্ধ শুরুর আগেই ইরানকে অস্থিতিশীল করার একটি গোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিআইএ আগে ইরানি কুর্দি বাহিনীগুলোকে ছোট অস্ত্র দিয়েছে। তবে বুধবার এক ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কুর্দিদের ইরানে বিদ্রোহ শুরু করার কোনো পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছেন এমন প্রতিবেদন সম্পূর্ণ মিথ্যা।
যদি যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের ইরানে অনুপ্রবেশ বা কোনো ধরনের বিদ্রোহ শুরু করতে সহায়তা করে, তাহলে সেটি যুদ্ধের ক্ষেত্রে এক অপ্রত্যাশিত মোড় হবে। অনুপ্রবেশ যদি যথেষ্ট বড় হয়, তবে ইরানি সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলোকে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য করতে পারে। এতে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলি বিমান হামলা চালিয়ে ওই ইউনিটগুলোকে লক্ষ্য করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক ও সিরিয়ায় কুর্দি মিলিশিয়া বাহিনীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের কাজ করার ইতিহাস আছে। তবে কুর্দিদের ফেলে দেয়ার বদনামও আমেরিকার আছে। কুর্দিরা একটি জাতিগোষ্ঠী, যারা তুর্কি, সিরিয়া, ইরাক ও ইরানের বিভিন্ন অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
ইরানে সম্ভাব্য কুর্দি অনুপ্রবেশের পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত কিছু মানুষ সতর্ক করেছেন: কোনো কুর্দি বাহিনীর পক্ষে ইরানি সরকারকে উৎখাত করা সম্ভব নয়Ñএমনকি কে ক্ষমতায় আসবে, তার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলাও কঠিন। তাদের মতে, সিআইএ কেবল ছোট অস্ত্রই দিয়েছে; কুর্দি বাহিনীগুলোর কাছে ট্যাংক বা ভারী অস্ত্র নেই- যাতে করে তারা আক্রমণ চালাতে পারে বা তেহরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে বাস্তবসম্মতভাবে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন